জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে কর্মহীনদের খাদ্য নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ (পিআইও) সংশিষ্টরা।
জানা যায়, করোনা উপেক্ষা করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত জিআর চাল, নগদ অর্থ ও শিশু খাদ্য উপজেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগে উপবরাদ্দ করা হয়। অতঃপর অপারেশন ম্যানুয়াল অনুসারে ওয়ার্ড কমিটি ও ইউনিয়ন কমিটির মাধ্যমে কর্মজীবী কর্মহীনদের তালিকা প্রস্তুত করে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি পরিবারে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ বাস্তবায়ন করছেন পিআইওগণ। বিতরণে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার, সচিবগণ এবং পৌরসভার ক্ষেত্রে মেয়র, কাউন্সিলর ও সচিবগণ।
কর্মকর্তারা জানান, বিতরণ যাতে সঠিকভাবে হয় এজন্য প্রায়ই তাদের সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে বিতরণ করতে হয়। এ সময় উপকারভোগীরা কেউই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে খাদ্য সামগ্রী গ্রহণ করেন না। ফলে ঝুঁকি নিয়েই তারে কাজ করতে হয়।
বরাদ্দ প্রাপ্তি থেকে শুরু করে উপ-বরাদ্দ জারি, তালিকা তৈরি, বিতরণ প্রক্রিয়া, তদারকি কর্মকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত সুষ্ঠভাবে অনুমোদিত তালিকা অনুযায়ী বিতরণে সার্বিক সহযোগিতার কাজটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তারা (পিআইও) করে চলেছেন। এছাড়াও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের সঙ্গে থেকে করোনা সংক্রান্ত সব কাজেও পিআইওরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন।
বাংলাদেশ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি তপন কুমার ঘোষ বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন-২০১২ পাস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো এক হয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর গঠিত হয়। ওই আইনে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে অতি দ্রুত অর্গানোগ্রাম বাস্তবায়নের দাবি জানাই।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পবিত্র চন্দ্র মন্ডল বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম এমপির নির্দেশনায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শহিদুলূ ইসলাম বলেন, জীবন বাজি রেখে দিন-রাত কাজ করে খাদ্য নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছি। মনে সব সময় একরকম আতঙ্ক নিয়ে সুরক্ষা ছাড়াই কাজ করে চলেছি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল বলেন, ইতোমধ্যে সারা দেশে মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরে জন্য পিপিই পাঠিয়েছি, তারা যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন এবং অর্গানোগ্রাম বাস্তবায়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে বলে আশা রাখি।
ইত্তেফাক/কেকে