সংযমেই মুক্তি

অর্থনৈতিক বিপর্যয় কাটাতে সীমিত পরিসরে গার্মেন্ট ও বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ মাসের ১০ তারিখ থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও। এতে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা করোনা সংক্রমণের ভয়াবহ পরিণতির আশঙ্কা করছেন। কারণ সাধারণ ছুটি বা লকডাউনের সময় থেকেই অসচেতন ও বেপরোয়া মানুষকে ঘরে রাখতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিমশিম খেয়েছেন। অনেকক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব না-মানার প্রবণতা দেখা গিয়েছে। এখন সরকারের এমন নির্দেশনায় তাদের হবে পোয়াবারো। তাছাড়া প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী মজুদ এবং সংশ্লিষ্ট যেসব শর্তে দোকানপাট খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তা তদারকির সক্ষমতা কতটুকু সেটাও দেখার বিষয়। তবে জাতীয় ও স্থানীয় অর্থনীতির চরম অচলাবস্থা কাটাতে সবকিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কতোটা ইতিবাচক হবে তা নির্ভর করছে ব্যবসায়ীদের কঠোর আনুগত্য এবং একইসঙ্গে জনসাধারণের সংযমের ওপর।

আবু ফারুক

বনরুপা পাড়া, বান্দরবান