করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন সময়ের আলোর সাংবাদিক অপু

করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন সময়ের আলো পত্রিকার আরেক সাংবাদিক মাহমুদুল হাকিম অপু। তার জ্বর-সর্দি-কাশি ছিল। মৃত্যুর আগে তিনি টেস্ট করাতে পারেননি। অপু পত্রিকাটির সিনিয়র সাব-এডিটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার সেহরির জন্য ডাকতে গেলে তাকে মৃত অবস্থায় পান তার স্ত্রী।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাংগঠনিক সম্পাদক ও সময়ের আলো পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাহমুদুল হাকিম অপু করোনার উপসর্গ নিয়ে বাসায়ই ছিলেন।

হাবিবুর রহমান আরো বলেন, ‘আমাদের পত্রিকার খোকন ভাই মারা যাওয়ার পর অন্ততপক্ষে পাঁচজনের করোনা পজিটিভ এসেছে। এছাড়াও আরো অনেকেই করোনা উপসর্গ নিয়ে বাসায় অবস্থান করছেন। খোকন ভাইয়ের স্ত্রীও করোনায় আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিত্সাধীন আছেন।’

দায় এড়াতে পারে না সময়ের

আলো কর্তৃপক্ষ : ডিইউজে 

দৈনিক সময়ের আলোর সিনিয়র সাব-এডিটর মাহমুদুল হাকিম অপুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত না হওয়া গেলেও করোনা ভাইরাসের উপসর্গ তথা জ্বর-সর্দি-কাশি নিয়ে মারা গেছেন বলে পরিবারের তরফ থেকে বলা হয়েছে।

গতকাল এক বিবৃতিতে ডিইউজে নেতৃবৃন্দ বলেন, কিছুদিন আগে দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর খোকনের করোনা ভাইরাস সংক্রমণে মৃত্যুর পর, আমরা আশা করছিলাম সময়ের আলো কর্তৃপক্ষ আরো দায়িত্বশীল আচরণ করবেন। প্রতিষ্ঠানটির সব সাংবাদিক ও কমর্চারীর করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় চিকিত্সার ব্যবস্থা করবেন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কার্যত সে ধরনের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বাসা থেকে সাংবাদিকদের কাজ করার দায়সারা একটি নোটিশ দিয়ে কর্তৃপক্ষ তার দায়িত্ব এড়িয়ে গেছেন।

বিবৃতিতে ডিইউজে নেতারা বলেন,করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী সাংবাদিকের পরিবারের দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হবে। তাছাড়া এ ধরনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে সরকারকেও এগিয়ে আসতে হবে বলে ডিইউজে আশা করে।