নতুন সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১৬ মে পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে ১০ মে থেকে খুলবে দোকানপাট। এই সিদ্ধান্ত কতোটা সঠিক ও যুক্তিযুক্ত? এই ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত আজ প্রকাশিত হলো
দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য সীমিত আকারে দোকানপাট খুলে দেওয়া হচ্ছে। দোকানপাট খুলে দেওয়ার ফলে সব মানুষ একসঙ্গে বাজারে যাবে। ফলে করোনা সংক্রমণ আরো বাড়তে পারে। দেশের জনসংখ্যা বিবেচনা করলে ১০ শতাংশ রোগীকে চিকিত্সা দেওয়ার সুবিধা অথবা সামর্থ্য—কোনোটিই আমাদের নেই। ফলে আমাদের দেশ থেকে করোনা ভাইরাস দূর করা আরো চ্যালেঞ্জ হয়ে পড়বে। এদিকে দেশের সব মানুষের পক্ষে ঘরে থাকা সম্ভব নয়। এর বড়ো কারণ দারিদ্র্য। আমাদের দেশের লাখ লাখ মানুষ আছে যারা দিন আনে, দিন খায়। এইসব মানুষের ঘরে রাখা সম্ভব নয়। এ সবকিছু মাথায় রেখেই সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। জীবন ও জীবিকা দুই দেখতে হবে সরকারকে, এই দিক থেকে এ সিদ্ধান্তটি সঠিক বলে মনে করি। তবে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে সর্বত্র।
সাদিয়া সুলতানা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাভার, ঢাকা
এ সময়ের আলোচিত বিষয় মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি না দেশের অর্থনীতি, কোনোটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই বলছেন, আগে পেট বাঁচাতে হবে তারপর স্বাস্থ্য ঝুঁকি। অর্থাত্ যদি না খেয়ে অভুক্ত থেকে মরে যাই তখন স্বাস্থ্য দিয়ে কী হবে। আবার অন্যরা বলছেন, আগে স্বাস্থ্য রক্ষা করতে হবে, তারপর পেট বাঁচবে। বাস্তবতা হচ্ছে মানুষের জীবন জীবিকা চরম সংকটময় মুহূর্ত পার করছে। দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে গার্মেন্টস কর্মীদের কর্মস্থলে ছুটে চলাই প্রমাণ করে তারা পেট বাঁচানোর জন্য কতটা মরিয়া। শুধু গার্মেন্টস কর্মীরা নয়, নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত সবাই খুব কষ্টে দিনাতিপাত করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং অর্থনীতিবিদরাও সামনের দিনগুলোতে দুর্ভিক্ষের মতো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। মূলত কর্মজীবী মানুষের কথা চিন্তা করে সরকার মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধির আশঙ্কা স্বত্বেও দেশের অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে সচল করতে চাইছেন। সরকারের সামনে এর চেয়ে ভালো বিকল্প আর কিছুই খোলা নেই।
মো. জিল্লুর রহমান
ব্যাংকার ও লেখক, সতিশ সরকার রোড
শুধু ঈদের কেনাকাটার জন্য এমন সময়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত সত্যিই আশ্চর্যের। কেননা এমনিতেই উচ্চবিত্ত শ্রেণির মানুষ ছাড়া অন্যরা এই ক্রান্তিকালের বাজারে পরিবারের অপরিহার্য চাহিদা পূরণে অসমর্থ। মাঝখান থেকে এই সিদ্ধান্ত মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের মানসিক দৈন্যতাকে প্রকট করবে। অন্যদিকে, সবকিছু খুলে দেওয়ার কারণে করোনা ভাইরাস হয়ে যাবে সহজলভ্য। যার লাগাম টানার ক্ষমতা আমাদের নেই। তাই, সরকারের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করি।
এ এফ এম সালাহউদ্দীন
বান্দরবান সদর, বান্দরবান পাবর্ত্য জেলা
দোকানপাট খুলে দেওয়া সঠিক হবে না। কারণ আমাদের দেশে দোকানপাটের মালিক, কর্মচারী, ক্রেতা এবং সাধারণ জনগণ স্বাস্থ্য পরিদপ্তরের নির্দেশাবলী অনেকেই মানতে পারবে না। এমনকি অনেকেই মানতে নারাজও। তাই ১০ মে দোকানপাট খোলার বিষয়ে আর একটু ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।
মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ
সরদার পাড়া, মুন্সীগঞ্জ
এই সিদ্ধান্ত সঠিক বলে মনে করি না। এতে করে করোনার ভয়াবহতা আরো বাড়বে।
এম এ আজিজ
শেরেবাংলা রোড, নারায়ণগঞ্জ
দোকানপাট খুলে দেওয়া হবে কেন? অনলাইনের মধ্যে বেচা-কেনা হলেইতো চলে।
নাসমা আহমেদ জেসমিন
ধানমন্ডি-২৭, ঢাকা
খুব সম্ভবত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তালিকায় রয়েছে মাত্র ১৭টি পণ্য। কিন্তু কারও কারও জীবনে এই করোনাকালে একটি মাধুলিও জরুরি হতে পারে। একটি শিশুর জন্য ঈদের পোশাকও জরুরি। ঈদের পোশাক না পেলে তার মনোকষ্ট আরো বেড়ে যাবে।
মাহবুবুল হক ইকবাল
দক্ষিণ আলেকান্দা, বরিশাল
আমরা চাই সবাই বাঁচুক। তাই লকডাউন না খুলে দোকানপাট বন্ধ রাখাই ভালো।
সাইফুল ইসলাম
মির্জাপুর, টাঙ্গাইল
বিশ্বের কিছু দেশ লকডাউন শিথিল করেছে। বাংলাদেশও এর মধ্যে অনেকটা শিথিল করেছে। ইতিমধ্যে কিছু পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। সরকারি অফিস-আদালতের কিছু কিছু সেকশন খোলা হয়েছে। বেসরকারি ও সরকারি বাকি অফিসগুলো ১৬ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। এদিকে শপিংমল ও দোকানপাটসহ অন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসমূহ আগামী ১০ মে খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ সময় আরো সমাগমের মধ্যে করোনার উপদ্রব বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ব্যাপারে সচেতন থাকা দরকার।
বাবুল
ধানমন্ডি, ঢাকা
ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে দোকানপাট খোলার এই সিদ্ধান্ত মহামারির বিপদকে দ্বিগুণ করে তুলতে পারে। কারণ, ঈদের সময় এমনিতেই শপিং কমপ্লেক্স থেকে সবখানে অস্বাভাবিক ভিড় থাকে। সেখানে কোনোভাবেই সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা সম্ভব হবে না।
ঋতা
কুমিল্লা
দোকানপাট খুলছে আগামী ১০ মে। একদিকে এ সিদ্ধান্তটি ভালো। কারণ ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক মন্দার শিকার।
অ্যাড. মোহাম্মদ রবিউল হোসেন রবি
পুরানা পল্টন, ঢাকা
আগামী ১০ মে দোকানপাট খুলছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দোকানপাট খোলা কিছুটা জরুরিও বটে।
মো. খায়েরুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
আগামী ১০ মে খুলবে দোকানপাট। মানুষ ঈদকে সামনে রেখে কেনাকাটা করবে। সুতরাং মানুষ বাইরে বের হবে আগের চেয়ে আরো বেশি। এটাকে রোধ করতে হলে প্রয়োজন লকডাউন অব্যাহত রাখা।
সুগন্ধী আক্তার
মতিঝিল, ঢাকা
সরকার বিভিন্ন দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরাট স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে যে জনগণকে ঠেলে দিচ্ছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এরই মধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিত্সা নিয়ে হাসপাতাল ও চিকিত্সাকেন্দ্রগুলো যে ভানুমতির খেল দেখাচ্ছে তা চরম নির্মম ও অত্যন্ত হূদয়বিদারক। সাধারণত ১৪৪ ধারা কিংবা মার্শাল ‘ল জারি ছাড়া জনগণকে অহেতুক জটলা কিংবা জমায়েত থেকে বিরত রাখা যায় না। সেক্ষেত্রে দোকানপাট খোলার সঙ্গে সঙ্গে একটা উছিলা পেয়ে দীর্ঘদিন ঘরে বন্দি থাকা হুজুগে বাঙালির বাঁধভাঙ্গা জোয়ারের স্রোত রুখবে কে?
ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী (মজির)
৩৭-মদনপাললেন, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা
গার্মেন্টস, দোকানপাট যেখানে খুলে দেওয়া হচ্ছে সেখানে সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখাটা একপ্রকার তামাশা। কারণ সরকারি-বেসরকারি অফিসে দেশের শিক্ষিতরা কাজ করে, তারা যথেষ্ট স্বাস্থ্যসচেতন, অতএব তারা নিশ্চয়ই একজন গার্মেন্টস শ্রমিকের তুলনায় সরকারি নির্দেশনা মানতে অধিক সক্ষম। কী বিচিত্র দেশ, কী বিচিত্র সব সিদ্ধান্ত।
মো. আল-আমিন ইসলাম
হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর
বর্তমানে অর্থনৈতিক অচল অবস্থা দেখা দিয়েছে। আমাদের সরকার অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে আগামী ১০ মে রবিবার লকডাউন শিথিল করতে যাচ্ছে।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
পবিত্র ঈদুল ফিতরের কারণে দোকানপাট খোলা জরুরি ছিল। আমাদের মনে হয়, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দোকানপাটে বিক্রেতারা কেনাবেচা করলে তেমন কোনো সমস্যা হবে না।
মাখরাজ খান
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ
এই মুহূর্তে ঈদকে সামনে রেখে চিরাচরিত মুসলিম প্রথা অনুযায়ী মানুষের পোশাক-আশাক কেনাকাটাসহ অর্থনৈতিক সচ্ছলতা যেমন একান্ত প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন দেশে বিদ্যমান প্রাণঘাতী করোনার ছোবল থেকে নিজেদের রক্ষা করা।
শেখ মোহাম্মদ ফরহাদ উদ্দিন
মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ
দোকানপাট শপিংমলসহ অন্যান্য মার্কেট খুলছে ভালো কথা। কিন্তু মার্কেট খোলার পূর্বে সব রকম সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্য বিধি বিষয়ে আগেই প্রস্তুতি নেওয়া অবশ্যই প্রয়োজন।
রাসেল আহমেদ
মুগদা, ঢাকা
শপিংমল, দোকানপাট খোলা হোক। যেহেতু সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেহেতু ক্রেতা সাধারণের স্বাস্থ্য বিধি ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণভাবে পালন করতে হবে।
মো. হানিফ মিয়া
মনেশ্বর লেন, হাজারীবাগ, ঢাকা
আগামী ১০ মে খুলছে দোকানপাট, মার্কেট, শপিংমল ইত্যাদি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এ সিদ্ধান্ত সঠিক রয়েছে বলেই আমরা মনে করি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ যদি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে, তাহলে অর্থনৈতিক বিষয়টি নাজুক হবে।
মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন সেলিম
ইব্রাহিমপুর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা
করোনায় দোকানপাট খোলা মাহমারিকে নতুন রূপে বরণ করারই সামিল। কিন্তু বাস্তবতা হলো মানুষের ক্ষুধার কাছে করোনার ভয় নেই। সরকারও অসহায়ের মতো দোকানপাট খুলতে বাধ্য হয়েছে। যার পরিণাম হবে নির্মম ভয়াবহ।
মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক নাছিম
রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মে মাসের শেষের দিকে কোভিড-১৯ ভাইরাস চরম পর্যায়ে অবস্থান করবে। সে সময় সামাজিক যোগাযোগ অবাধ এবং শপিং মল খুলে দিলে করোনার আক্রমণ বাড়বে বৈকি কমবে না। এর খেসারত জনগণকেই দিতে হবে।
মনোজ কুমার বিশ্বাস
বিশ্বাস ফার্মেসি, ল্যাম্ব হাসপাতাল
পার্বতীপুর, দিনাজপুর
সংক্রমণের এমন চরম অবস্থায় জীবন বাঁচাতে লকডাউন কঠোর হওয়ার পরিবর্তে উলটো দোকানপাট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী। ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে সাময়িক লাভবান হলেও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বে পুরো দেশের মানুষ। এমন সিদ্ধান্ত অনেকটাই অদূরদর্শিতার পরিচায়ক।
মোহাম্মদ ফয়সাল
১৪৬, ডিটি রোড, পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম
ক্রমশ যখন সংক্রমণে আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, তখন এমন পদক্ষেপ অবৈজ্ঞানিক। এমনিতেই স্বাস্থ্য খাতের বেহাল দশা তার ওপর এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের দরুন সংক্রমণের মড়ক লাগলে তা ঠেকানো সত্যিই দুষ্কর হবে। তাছাড়া, অর্থনৈতিক বিপর্যয় কমাতে কয়েক দফায় হাজার হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দেওয়ার পরেও এ সময় বিরুদ্ধ সিদ্ধান্ত দেশের মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেবে।
আবু ফারুক
বনরূপাপাড়া, সদর, বান্দরবান
আগামী ১০ মে দোকানপাট খোলা ঠিক হবে না। এতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাবে বলে আমি মনে করি।
আলহাজ জিয়াউল হক সরকার
করমতলা, পূবাইল, গাজীপুর
এখন সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠে, বাংলাদেশ কি করোনামুক্ত ঘোষিত হয়েছে? আসলে সারাবিশ্বই এখন জীবন বনাম জীবিকার প্রশ্নে দোদুল্যমান। সব বন্ধ রাখলে অর্থনৈতিকভাবে অনেক ক্ষতি হবে নিশ্চিত, তবে এটাও মনে রাখতে হবে মানুষ বাঁচলে এই ক্ষতি পুষিয়েও নেওয়া যাবে।
তৌহিদ বিল্লাহ
নরসিংদী সরকারি কলেজ
সামাজিক সংক্রমণ ছড়িয়ে গেলে সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ছাড়া আর কোনো ওষুধ থাকবে না। কাজেই এখন দরকার ছিল, সামাজিক সংক্রমণ যত কম বিস্তৃত হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা।
সাবরিনা সুলতামা
ন্যাশনাল কলেজ অব হোম ইকনোমিক্স
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
দোকানির মধ্যে অনেকেরই দিন এনে দিন খাওয়ার মত অবস্থা ছিল। প্রায় দেড় মাসের লকডাউনের পর স্বাভাবিক জীবনযাত্রাই থমকে গেছে অনেকের। আর মধ্যবিত্ত এমন এক শ্রেণি যারা লজ্জায় ত্রাণের লাইনেও দাঁড়াতে পারবে না আবার স্বাভাবিকভাবে বাঁচতেও পারবে না। এসব দিক বিবেচনা করে দোকানপাট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।
স্নেহা মৌ
বেনাপোল, যশোর
সরকারের এই সিদ্ধান্তটি একেবারে আত্মঘাতী। হু এর কথা মতো যে হারে সংক্রমিত হচ্ছে সে সময় দোকানপাট খোলা থাকলে সংক্রমণের হার বেড়ে যাবে। আমরা যেহেতু সঠিক তথ্য পাই না সেখানে মৃত্যু বেশি/কম নিয়ে কথা বলা কঠিন হয়ে পড়েছে।
দুলাল চন্দ্র মজুমদার
সহকারী অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ
অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়, বরিশাল
প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগী। সে পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। এমন কি সাধারণ মানুষের জন্যও অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ।
মো. হাসান
বনানী, ঢাকা
যত বিশেষ কারণেই হোক করোনার ঝুঁকি নিয়ে স্থান পরিবর্তন করা সঠিক নয়। এমনিতেই জনগণ সচেতন নয়—অতঃপর শপিংমল ও মসজিদ উন্মুক্ত করলে বিপদের আশঙ্কা আরো বেড়ে যাবে।
নজরুল ইসলাম খান
খান ভিলা, ৫৪ নতুন জুরাইন, ঢাকা