শরণখোলায় বেড়িবাঁধ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ না হওয়ার শঙ্কা

জমি অধিগ্রহণে জটিলতা ও করোনা পরিস্থিতি

শেখ মোহাম্মদ আলী, শরণখোলা (বাগেরহাট) সংবাদদাতা

শরণখোলায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মাণাধীন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের বেড়িবাঁধের কাজের সময়সীমা এক বছর বাড়ানো হলেও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নতুন করে জমি অধিগ্রহণে জটিলতা ও করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রকল্পের কাজে জটিলতা দেখা দিয়েছে। সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন জানান, ২০০৭ সালে সুপার সাইক্লোন সিডরের পরে উপজেলাবাসীর টেকসই বেড়িবাঁধের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ৫২ কিলোমিটার  বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০১৯ সালের ৩০ জুন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আরো এক বছর কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু সাউথখালী ইউনিয়নের বগী এলাকায় বলেশ্বর নদীর ভাঙনের ফলে ডিজাইন পরিবর্তন করে বাঁধের জন্য ২ কিলোমিটার জমি নতুন করে অধিগ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। দীর্ঘদিনেও সেটি পাশ না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে বাঁধ নির্মাণে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আসন্ন বর্ষা মওসুমে ভাঙনকবলীত এলাকায় আপত্কালীন রিংবাঁধ দেওয়া না হলে গ্রামাঞ্চল জলমগ্ন হয়ে মানুষের বাড়িঘর তলিয়ে যাবে।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, বগী এলাকায় বাঁধ নির্মাণের জন্য নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে হয়তো প্রস্তাবটি পাশ হতে বিলম্ব হচ্ছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) ‘সিইআইপি’ প্রকল্পের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, জমি অধিগ্রহণের জটিলতা ও করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন না হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।