চট্টগ্রামের হলিক্রিসেন্টে সরকারি ব্যবস্থাপনায় করোনা চিকিত্সা হবে ------------------- তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, চট্টগ্রামের হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালের ২০টি আইসিইউ ইউনিট সরকারি ব্যবস্থাপনায় করোনা চিকিত্সায় ব্যবহূত হবে। এছাড়া ঐ হাসপাতালের আরো ৬০টি বেড আইসোলেশনের জন্য থাকবে। বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে। আগামী ১০ মে সকাল ১০টা থেকে ৪টা পর্যন্ত সীমিত আকারে দোকানপাট খোলা থাকবে। মার্কেট চলাকালীন সময়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য মার্কেট বা দোকানের সামনে করোনায় মৃত্যু বিষয়ক সচেতনতামূলক ব্যানার, মাস্ক পরিধান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার প্রভৃতি সুরক্ষা বাধ্যতামূলকভাবে বজায় রাখতে হবে। মার্কেটের প্রবেশপথে বাধ্যতামূলকভাবে ডিজইনফেকশাস চেম্বার স্থাপন করতে হবে। ক্রেতা-বিক্রেতা সকলে এ চেম্বার দিয়ে প্রবেশ করবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসন আয়োজিত করোনা প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা, ত্রাণ কার্যক্রম, স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে করণীয় নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি আয়োজিত ২য় সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন চট্টগ্রাম জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা সমন্বয়ক ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দিন।

সভাশেষে সাংবাদিকদের তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে একজন সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হয়ে এবং এক জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এ ছাড়া ৬৩ জনের বেশি সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গণমাধ্যম লকডাউন করা যায় না উল্লেখ করে তিনি ব্যক্তিগত সুরক্ষা বজায় রেখে কাজ করার জন্য সাংবাদিকদের  আহ্বান জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকা অঞ্চলের তুলনায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিস্থিতি ভালো। তবে সংক্রমণ বাড়ছে। জনগণের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি, বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।