শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে মানুষের ঢল যেন ঈদের উত্সব

লোকে লোকারণ্য শিমুলিয়া ফেরিঘাট, যেন ঈদের উত্সব লেগেছে। তিল ধারণের ঠাঁই নেই ফেরিঘাট আর রিকশা আটোস্ট্যান্ডে। গত ১০ দিনের যাত্রীর ঢলকে হার মানিয়েছে বৃহস্পতিবার ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ।

সরেজমিনে দেখা যায়, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরিতে করে আসছে হাজারো ঢাকামুখী যাত্রী। সরকার মার্কেট খুলে দেওয়ার ঘোষণায় দক্ষিণবঙ্গের এসব যাত্রী লকডাউন ভেঙে ঢাকামুখী হতে শুরু করেছে। প্রতিটি ফেরিতেই শত শত লোক পার হয়ে আসছে শিমুলিয়া ফেরিঘাটে। ফেরিতে যেমন চাপাচাপি, ঘাটে এসেও একই অবস্থা যানবাহনের জন্য। বাস না থাকায় অটোস্ট্যান্ডগুলোতে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। আটো, টেম্পো, নসিমন, করিমন, মাইক্রো, থ্রি হুইলার, ইয়েলোক্যাব, রেন্ট এ কার ও মোটরসাইকেলে করে এসব যাত্রী ঢাকায় ফিরছেন। তবে এ পথে ঢাকায় যেতে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সিরাজুল কবির জানান, সকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের ঢল দেখা গেছে। গার্মেন্টস কর্মীদের ঢাকায় আসাকেও হার মানিয়েছে বৃহস্পতিবার যাত্রীর চাপ। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এখন ছুটছে কর্মস্থলে। যেন ঈদ শুরু হয়ে গেছে। করোনার কোনো ভয় নেই কারো মাঝে। মনে হচ্ছিল ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে তারা ছুটছেন স্বজনদের কাছে।

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটস্থ এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দিনের বেলায় চার থেকে পাঁচটি ও রাতে সাত থেকে আটটি ফেরি চলাচল করছে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ ছিল বেশি। মনে হচ্ছে অনেকটা স্বাভাবিক হতে চলেছে মানুষের জীবনযাত্রা। তাই যাত্রীর চাপও বেড়েছে।