ইত্তেফাক রিপোর্ট
মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা সাতটি দেশের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া বক্তব্যকে ‘দুর্ভাগ্যজনক, হতাশাজনক ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। গতকাল শুক্রবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, তাদের কোনো বক্তব্য থাকলে তারা সেটা কূটনৈতিক চ্যানেলেই বলতে পারতেন।
করোনা ভাইরাসের সংকটকালীন সময়ে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রচার নিশ্চিতে মুক্ত গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার ওপর জোর দিয়ে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রদূতরা নিজ নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় একইরকম বার্তা সম্বলিত টুইট করেন।
এ বিষয়ে ড. মোমেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কূটনীতিকদের এ ধরনের কোনো ‘ভূমিকা’ দেখিনি। আমরা আমাদের মতো করে দেশ পরিচালনা করছি। আমি খুবই হতাশ। এটা খুবই হতাশাজনক এবং দুঃখজনক। এটা কোনোভাবেই ঠিক নয়।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দায়িত্বশীলতা না থাকলে বাক্স্বাধীনতাকে সম্মান করা যায় না।
তিনি বলেন, তারা যদি পোশাকশিল্পের ক্রয়াদেশ বাতিলের বিষয়ে কিছু বলেন, অথবা আমাদের অভিবাসীদের নিরাপত্তা ও সহায়তা নিয়ে এবং অন্তত ছয় মাস তাদের চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে কথা বলেন, তাতে বাংলাদেশ খুশি হবে। ড. মোমেন এ ধরনের বিবৃতির উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।