সিলেট, বগুড়া, হাতিয়া ও লালমনিরহাটে করোনার উপসর্গ নিয়ে আরো পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সিলেট অফিস জানায়, শুক্রবার দুপুরে করোনা উপসর্গ নিয়ে শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিত্সাধীন দুই জন মারা গেছেন। তাদের একজনের বাসা নগরীর দাড়িয়া পাড়া এলাকায়, অপরজন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার। শামসুদ্দিন হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সুশান্ত কুমার মহাপাত্র জানান, এদের একজনের শরীরে জ্বর, সর্দিসহ করোনার উপসর্গ ছিল। তবে অপর জনের শ্বাসকষ্ট থাকলেও তিনি মূলত হূদরোগে আক্রান্ত ছিলেন।
স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া জানান, বগুড়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিত্সাধীন এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার রাতে মারা গেছেন। পেশায় রিকশাচালক ঐ ব্যক্তির বাড়ি বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায়। মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সা কর্মকর্তা (আরএমও) শফিক আমিন কাজল এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সা কর্মকর্তা (আরএমও) শফিক আমিন কাজল বলেন, জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও পাতলা পায়খানা নিয়ে ঐ ব্যক্তি বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিলেন। তিনি ১০ দিন ধরে জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও পাতলা পায়খানায় ভুগছিলেন।
হাতিয়া (নোয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে কলি (২৫) নামে এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ভোরে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে তার নিজ বাড়িতে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। জানা যায়, নিহত কলি দীর্ঘদিন হাতিয়া উপজেলা সদরে হাতিয়া কম্পিউটার ল্যাব ডায়গনস্টিক সেন্টারে নার্স হিসেবে চাকরি করতেন। সে বেশ কিছুদিন থেকে সর্দি-জ্বরসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিল বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়। শুক্রবার ভোরে ঘুমের ঘোরে তার মৃত্যু হয়।
লালমনিরহাট প্রতিনিধি জানান, লালমনিরহাট পৌরসভার তেলিপাড়ার গোল্ডেন বাজার সংলগ্ন ভাটাপাড়া গ্রামে গতকাল শুক্রবার তালেব (৩৮) নামের এক গার্মেন্টস কর্মী মারা গেছে। তিনি জ্বর, গলাব্যথা ও সর্দি নিয়ে কয়েক দিন আগে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ হতে বাড়িতে আসেন।