রবিবার সারাদেশে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া উত্সবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল আটটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল চারটায় শেষ হয়। প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রেই নিয়োজিত ছিল পর্যাপ্ত সংখ্যক আনসারসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। এছাড়া বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও টহল দিতে দেখা গেছে। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:
রংপুর: রংপুর জেলার ছয়টি আসনের ৮৪৪টি কেন্দ্রে উত্সবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়েছে। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। রংপুর-১ আসনের মহাজোট প্রার্থী জাতীয় পার্টি মশিয়ার রহমান রাঙ্গা রংপুর গঙ্গাচড়া সরকারি বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। জেলার ৮৪৪টি কেন্দ্রে একজন করে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা প্রিসাইডিং অফিসার এবং চার হাজার ৩৫৪টি বুথে একজন করে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার দায়িত্বে ছিলেন।
গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর আসনে (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) ভোট উত্সব হয়েছে। কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে বিপুল উত্সাহ-উদ্দীপনা ও উত্সবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল আটটায় টুঙ্গিপাড়ার খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে শেখ পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর চাচা শেখ কবির হোসেন ভোট দিয়ে ভোট উত্সবের শুভ সূচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া উপজেলার সব ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এছাড়া গোপালগঞ্জ-১ ও গোপালগঞ্জ-২ আসনেও উত্সবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানেও ভোট উত্সব হয়েছে বলে নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ: জেলার মোট ৮৪৪টি ভোট কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়েছে। দুপুরে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর) আসনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম তার নিজ নির্বাচনী এলাকার আলমপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে তার ভোট প্রদান করেন। পরে তিনি কাজিপুর উপজেলার আলমপুর, সোনামুখী, পিপুলবাড়ীয়া, বাগবাটি, রতনকান্দিসহ বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
দিনাজপুর: দিনাজপুরে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। তবে বড় ধরনের তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। জেলার ৬টি আসনের বেশির ভাগ কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট ছাড়া ধানের শীষ বা অন্য দলের প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদের দেখা যায়নি।
কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট চলাকালে ভোট কেন্দ্রগুলোতে কোন সহিংস ঘটনা ঘটেনি। সকালের দিকে ভোটারের উপস্থিতি কম দেখা গেলেও পরবর্তীতে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ছিল বেশ তত্পর। কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনের সব কটিতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার আসলাম হোসেন।
চাঁদপুর: চাঁদপুর জেলার ৫টি সংসদীয় আসনে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল বিপুলসংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহের ১১টি আসনে উত্সবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোট প্রদান করেছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস ও পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বলেন, উল্লেখ করার মতো কোনো ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হয়েছে।
ঝালকাঠি: ঝালকাঠি জেলার দুটি সংসদীয় আসনের ২৩৭ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সাড়ে চার হাজার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং প্রায় সাড়ে তিন হাজার সরকারি-আধা সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. হামিদুল হক।
ফেনী: শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফেনীর তিনটি আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩৫৮টি কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ ভোটার ভোট প্রদান করেন। ভোট কেন্দ্রগুলো ছিলো উত্সবমুখর। ভোটারদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তাদের ভোট দিতে দেখা গেছে। ফেনী জেলার তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২৫ জন প্রার্থী।
বগুড়া: বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া উত্সবমুখর পরিবেশে বগুড়ার সাতটি আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শীতের সকালে বগুড়া সদর এলাকার আসনের শহরের ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটাররা ভোট প্রদান করেন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটারের সংখ্যা বেড়ে যায়। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুড়িগ্রাম: দু’-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে কুড়িগ্রাম জেলার ৪টি আসনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। জেলার সর্বত্রই সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টহল অব্যাহত ছিল।
ভোট চলাকালীন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম হাবীব অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিকালে ভোট বর্জন করেছেন। এছাড়া কুড়িগ্রাম-২ ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব:) আমসাআ আমিন ও কুড়িগ্রাম-৩ আসনের ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী তাসভীর-উল ইসলাম বিভিন্ন কেন্দ্রে মহাজোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগ করেছেন।
কুড়িগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সুলতানা পারভীন জানান, জেলার ৪টি আসনে দু’-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নরসিংদী: বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া নরসিংদীর ৫টি সংসদীয় আসনে সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ হয়েছে। সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে অবস্থান নেন। সকালে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করে দেখা গেছে, প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নতুন ভোটাররা উত্সাহ নিয়ে কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ: জেলার তিনটি আসনে উত্সবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। জেলার ৪৩৭টি কেন্দ্রে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট প্রদান করেন। ভোটার উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। ভোট কেন্দ্র ছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল ছিল চোখে পড়ার মতো।
রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ): গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনের কোটালীপাড়ায় উত্সবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ হয়েছে। সকাল ৮টায় উপজেলার ৭৭টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। উপজেলার কুরপালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য, এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি ও লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের ইন্টারন্যাশনাল ডিরেক্টর কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ।
কেন্দুয়া (নেত্রকোনা): নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের কেন্দুয়া উপজেলার ৯১টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। উপজেলার কোনো ভোট কেন্দ্রে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রেই নিয়োজিত ছিল পর্যাপ্ত সংখ্যক আনসারসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। এ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল নিজের ভোট কেন্দ্র কেন্দুয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। পরে ৯টার দিকে একই কেন্দ্রে ভোট দেন একই আসনের বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম হিলালী।
শ্রীপুর (মাগুরা): মাগুরা-১ আসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ আসনে ১৪৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৭১০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, এক হাজার ৮১৪ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তাসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুই উপজেলায় ৯ শতাধিক পুলিশ সদস্য, ১৫০ জন সেনাসদস্য, ৩০০ জন বিজিবি সদস্য, ১৯ জন র্যাব এবং ৩ হাজার ৩২৪ আনসার নিয়োগ দেয় হয়। এছাড়া জেলার দুই উপজেলায় নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য ১২টিসহ ৩টি অতিরিক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত দায়িত্ব পালন করেন। এর পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে মোবাইল টিম কাজ করছে।
ঈশ্বরদী (পাবনা): পাবনা-৪ আসনের ঈশ্বরদীর বিভিন্ন কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। সকাল হতেই কেন্দ্রগুলোতে উত্সবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটারদের ভোট দিতে দেখা গেছে। এ আসনের নৌকার প্রার্থী ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এমপি শহরের মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল): মির্জাপুরে ১১৩টি ভোটকেন্দ্রে উত্সবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন বিপুলসংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগ করেছে বলে সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোঃ আবদুল মালেক জানিয়েছেন।
আগৈলঝাড়া (বরিশাল): কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বরিশাল-১ আসনের আগৈলঝাড়া উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল-১ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ২২০ জন। এর মধ্যে আগৈলঝাড়া উপজেলায় ১ লাখ ১২ হাজার ১৮৫ জন। ১০৫নং সেরাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৮টায় ভোটাধিকার প্রদান করেন বরিশাল-১ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি।
সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দাস জানান, সরকারের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষুম ও শান্তিপূর্ণভাবে উত্সবমুখর পরিবেশে সাধারণ ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
শরীয়তপুর: শরীয়তপুর-১ আসনের ১১৮টি, শরীয়তপুর-২ আসনের ১৩২টি ও শরীয়তপুর-৩ আসনের ১০০টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও ভোট কেন্দ্রের আশপাশে বা জেলার কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
সিংড়া (নাটোর): নাটোর-৩ সিংড়া আসনে উত্সবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ হয়েছে। সকাল ৮টায় পৌর শহরের গোল-ই-আফরোজ সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
টেকেরহাট (মাদারীপুর): মাদারীপুর-২ আসনের রাজৈর উপজেলার সবকটি কেন্দ্রে কোনো অঘটন ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এ আসনে (মাদারীপুর সদর- রাজৈর) নৌকা মার্কায় নৌমন্ত্রী শাজাহান খানসহ চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নাগরপুর (টাঙ্গাইল): শীতের কারণে সকালের দিকে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে ভোটারের উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে উপস্থিতি বাড়তে থাকে। প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ভোট দিতে দেখা গেছে। সকালে উপজেলার গয়হাটা শহীদ শামসুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আহসানুল ইসলাম টিটু।
বামনা (বরগুনা): বরগুনা-২ (বামনা-পাথরঘাট-বেতাগী) আসনের বামনা উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। দু’ একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে সকাল থেকে উত্সবমুখর পরিবেশে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল।