মুন্সীগঞ্জে ৪১ বন্দির মুক্তি

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

করোনা পরিস্থিতিতে মুন্সীগঞ্জে লঘুদণ্ড মওকুফ করে শনিবার দুপুরে ৪১ বন্দিকে একযোগে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তারা সকলেই তিন মাসের অধিক সময় কারাভোগ করেছে এবং অনূর্ধ্ব ছয় মাসের বিনাশ্রম সাজাপ্রাপ্ত।

মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. নুরুন্নবী ভূঁইয়া জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে লঘুদণ্ড মওকুফ করে সরকার এই মুক্তির আদেশ দেয়। সরকার তিন দফায় মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের ৭১ জন কয়েদিকেই মুক্তির আদেশ দেয়।

ঝালকাঠি কারাগার থেকে ছয় কয়েদির মুক্তি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি জানান, ঝালকাঠি কারাগার থেকে মুক্তি মিলল ছয় দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের এক আদেশে শনিবার এদের মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঝালকাঠি কারা কর্তৃপক্ষ।

ঝালকাঠির জেল সুপার শফিকুল আলম বলেন, শুক্রবার মুক্তির আদেশটি হাতে পেয়েছি। ঝালকাঠি কারাগারে থাকা ৯ কয়েদির তালিকা কারা সদর দপ্তরে পাঠানো হলে সেই তালিকা থেকে ছয় জন দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির মুক্তির আদেশ আসে। শনিবার সকালের মধ্যে দুই জন বাড়ি ফিরে গেছে। আর যে চার জন রয়েছে তাদের কাছে জরিমানার টাকা পাওনা রয়েছে তাই তাদের বাড়ি ফিরতে এক দিন বিলম্ব হবে বলে তাদের পরিবার জানিয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধ হলেই তাদের মুক্তি দেওয়া হবে। 

বাগেরহাটে ৫ বন্দির মুক্তি

বাগেরহাট প্রতিনিধি জানান, বাগেরহাট জেলা কারাগারের ১৯ জন কয়েদির মুক্তি দিচ্ছে সরকার। শুক্রবার বিকালে ১৯ জনের মধ্যে পাঁচ জন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। এর আগে প্রথম ধাপে আরো একজনকে মুক্তি দেওয়া হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বাকি ১৩ জনকে আগামী দুয়েকদিনের মধ্যে মুক্তি দেওয়া হবে।

বাগেরহাট জেলা কারাগারের জেলার এস এম মহিউদ্দিন হায়দার জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে কারাগারের ভিড় কমাতে লঘুদণ্ডে দণ্ডিত (ছয় মাস থেকে এক বছরের সাজা হওয়া) কয়েদিদের তালিকা চায় কারা মহাপরিদর্শক। আমরা এপ্রিলের প্রথম সপ্তায় ৪৮ জন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির তালিকা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাই। এর মধ্যে সরকার দ্বিতীয় ধাপে ১৯ জন বন্দিকে মুক্তি দিতে অনুমোদন দিয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পাঁচ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বাকিদের কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে তা শেষ করেই দুয়েকদিনের মধ্যে মুক্তি দেওয়া হবে।