বরিশালে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

বরিশাল সদর আসনসহ সব আসনের কেন্দ্র থেকে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর এজেন্ট বের করে দেয়া এবং কেন্দ্র দখলের অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা। রবিবার ভোট শুরু হওয়ার চার ঘণ্টা পর প্রার্থীরা পৃথকভাবে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ অভিযোগ করেন।

বেলা ১টার দিকে বরিশাল সদর আসনের বিএনপি প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরওয়ার বলেন, ভোটের দিনেও আমাদের কর্মীদের উপরে হামলা করেছে আওয়ামী লীগ। সকালে এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেয়া হয়নি। যারা ছিল তাদেরও মারধর করে বের করে দেয়া হয়েছে। সকাল ১০টার মধ্যেই ভোটের ব্যালট শেষ হয়ে গেছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এছাড়া মহানগর ছাত্রদল সভাপতি রেজাউল করিম রনি, ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম সাবু, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রাঢ়ীসহ অনেককে পুলিশ আটক করেছে। তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি। কিন্তু তাদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাইনি। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি’র বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাহীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, সদর আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম বলেছেন, ভোট ডাকাতির উত্সব হয়েছে। তিনি দুপুর ২টার দিকে নগরীর সদর রোডে অশ্বিনী কুমার হলের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, মহিলা এবং মসজিদের ইমামসহ আমাদের ১২ জন লোক এখন হাসপাতালে ভর্তি। আমাদের এক কর্মীকে আটকও করা হয়েছে। এখানে নির্বাচনে থাকা না থাকার কিছু নেই, যদি নির্বাচনই হতো তাহলে কেন্দ্রে আমার এজেন্ট থাকতো, ভোটার উপস্থিতি থাকতো, মানুষের ভোট দেয়ার অধিকার থাকতো।

অপর দিকে, সদর আসনের বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকের প্রার্থী আবদুস সাত্তার বিকেল ৩টায় শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।