টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এক মেডিক্যাল অফিসারের কক্ষ থেকে শনিবার রাত দশটায় তিন সন্ত্রাসীকে মাদকসহ আটক করেছে পুলিশ। ওই হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার আনোয়ারুল ইসলাম শাওনের বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবন এবং মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে বলে জানান ওসি তারিক কামাল।
ওসি আরো জানান, ওই মেডিক্যাল অফিসারকে হাতেনাতে ধরা যাচ্ছিল না। তাই পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এ অভিযান চালায়।
আটককৃতরা হলো- আলোকদিয়া গ্রামের সন্ত্রাসী সুমন, মধুপুর বাসস্ট্যান্ডের বাপ্পী এবং চাড়ালজানির মানস সরকার। সুমনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি এবং সংর্ঘষের একাধিক মামলা রয়েছে।
জানা যায়, শনিবার রাত নয়টার দিকে হাসপাতালের আউটডোরের ২০ নম্বর কক্ষে ডাক্তার আনোয়ারুল ইসলাম শাওন দলবল নিয়ে নেশার আসর জমিয়েছেন এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়। কিন্তু টের পেয়ে ডাক্তার আনোয়ারুল ইসলাম শাওন কেটে পড়েন। বেশ কিছু মাদকসহ ওই তিনজনকে আটক করা হয়।
হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী মাসুদ হোসেন জানান, সন্ধ্যা সাতটায় ডাক্তার আনোয়ারুল ইসলাম শাওনের কথা বলে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগ থেকে আউট ডোরের মেইন গেট এবং অফিস কক্ষের চাবি নিয়ে যায় সন্ত্রাসী সুমন। তারপর সেখানে নেশার আসর বসায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার রুবিনা ইয়াসমিন জানান, ডাক্তার আনোয়ারুল ইসলাম রাতের বেলা আউটডোরে তার অফিস রুম খুলে দলবল নিয়ে নেশা করতে বসেছিলেন কিনা সেটা তিনি জানেন না। এ ধরনের অভিযোগ তিনি পুলিশের কাছে শুনেছেন। কিভাবে হাসপাতালের আউটডোরের মেইন গেট খুলে নেশাখোররা একজন মেডিক্যাল অফিসারের রুমে প্রবেশ করলো এমন প্রশ্নে তিনি জানান, সেটি তদন্ত করে দেখা হবে। এ ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য ডাক্তার আনোয়ারুল ইসলাম শাওনের মোবাইল ফোনে কল দেয়া হলে কেটে দেন।
ইত্তেফাক/আরকেজি