না’গঞ্জে মার্কেটে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে কেনাকাটা

হাবিবুর রহমান বাদল, নারায়ণগঞ্জ

করোনা ভাইরাসের প্রকোপে স্কুলকলেজ বন্ধ হয়ে গেছে অনেক আগেই। ঘোষণা করা হয়েছে সাধারণ ছুটি। ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার, কয়েক দফা বেড়ে ১৬ মে পর্যন্ত ঘোষণা হয়েছে সেই ছুটি। সেই সঙ্গে দেশের সব মার্কেট, সুপার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ ঘোষণা করেছে দোকান মালিক সমিতি, বন্ধ হয়ে গেছে গণপরিবহন। শুধু নিত্যপণ্যের দোকান ও ওষুধের দোকান ছাড়া বাকি সব বন্ধ রয়েছে। দেশের রাজনীতিবিদরা চেষ্টা করছেন করোনা প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চলছে সাহায্য-সহযোগিতা। সংসদ সদস্যসহ জনপ্রতিনিধিরা সাধারণ মানুষের সেবায় এগিয়ে এসেছেন। সবাইকে সচেতন করছেন করোনার কবল থেকে মুক্তি পেতে সতর্ক থাকার জন্য। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। আর যারা প্রয়োজনে বাইরে বের হচ্ছে তাদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা অবশ্যই মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

গত রবিবার থেকে দেশব্যাপী খুলেছে মার্কেট। নারায়ণগঞ্জ শহরের বেশিরভাগ মার্কেট খোলায় আবারও ব্যস্ত হয়ে পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ বঙ্গবন্ধু সড়ক। মার্কেটে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে লোকজনকে কেনাকাটা করতে দেখা যায়। এছাড়া দিনভর দেখা গেছে যানজট। যদিও গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে তবে রিকশা, ইজিবাইক, সিএনজি চালিত অটোরিকশা আর ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি পণ্যবাহী যানের চাপে আবারও জট লেগে যাচ্ছে শহরের প্রধান এই সড়কে। রবিবার সরেজমিনে দেখা গেছে ব্যস্ততম বিবি রোডে থেমে থেমে চলেছে যানজট। বিশেষ করে চাষাঢ়া, ব্যাংকের মোড়, ২ নম্বর রেলগেটসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত যানবাহন দেখা গেছে। দীর্ঘদিন ফাঁকা থাকলেও দোকানপাট ও মার্কেট খুলে দেওয়ায় আবারও যান চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ায় আগের মতোই যানজটের নগরীতে পরিণত হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ। খাতা-কলমে লকডাউন চললেও বাস্তবে এর উলটোটা দেখা যাচ্ছে।