মার্কেটগুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি
বরিশাল অফিস
লকডাউন ও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ শপিংমলগুলো বন্ধ থাকলেও মানুষের ভিড় থামানো যাচ্ছে না। চকবাজার, কাঠপট্টি, ফজলুল হক অ্যাভিনিউসহ হাতেগোনা যে কটি শপিংয়ের দোকান খোলা থাকছে আর তাতে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব। আর বড়ো মার্কেটগুলো বন্ধ থাকলেও যত্রতত্র ফুটপাতের দোকানগুলোতে মানুষ কেনাকাটা করছেন দেদারছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, যে সব মার্কেট ঈদকে কেন্দ্র করে বন্ধ থাকার কথা ছিল সে সব মার্কেটের ছোটো দোকানিরা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। হাতেগোনা বড়ো কয়েকটি দোকান সার্টার অর্ধেক নামিয়ে ভেতরে ক্রেতা ঢুকিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ব্যবসা। এছাড়া নগরীর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের পাইকারি বাজার রোড, পোর্ট রোডের মাছের পাইকারি বাজারে কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না জনসমাগম। ঠাসাঠাসি করে এসব বাজারে প্রতিদিনই নারী-পুরুষ মিলে কিনছে নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার।
মেহেরপুর প্রতিনিধি জানান, মেহেরপুরের মার্কেটগুলোতে বাড়ছে ভিড়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর প্রতিটি দোকানেই ক্রেতাদের যেমন ভিড় দেখা যাচ্ছে একইসঙ্গে প্রধান সড়কে লেগে থাকছে দীর্ঘ যানজট। এমনকি মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।
দীর্ঘ দেড়মাস বন্ধ রাখার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে সকাল ১০টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত দোকান, শপিংমল ও অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে মেহেরপুরের সব কয়টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি শাহ দারা খান বলেন, প্রতিটি মার্কেটেই ক্রেতাদের প্রচুর ভিড়। আমরা হ্যান্ড মাইক দিয়ে প্রত্যেককে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাকাটার পরামর্শ দিচ্ছি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মার্কেটগুলোকে বন্ধ করার বিষয়েও তদারকি করছি।
মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুল আলম বলেন, মেহেরপুর সদরের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। সরকারি নির্দেশনা মতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসায়ী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে।