বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুরে মো. জহিরুল ইসলাম (৪০) নামে এক ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা করে প্রথমে তাকে জখম করা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়ায় দ্বিতীয় দফায় অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে ছুরিকাঘাত করে ঐ ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। অপরদিকে বাহার ছড়া এলাকায় রাত ১০টার দিকে দুই ব্রিক ফিল্ড মালিকের সমর্থকদের সংঘর্ষে খালেদ বিন ওয়ালিদ নামে (২৫) এক পথচারী নিহত ও সাত জন আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত তিন জনকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার এসব ঘটনা ঘটে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার সাধনপুর ও কালীপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ভাসাইন্যার দোকান এলাকায় একটি সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে চাঁদা আদায় করে আসছে। তাদের এই কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় গত সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় মো. গফুরের ঘরে দফায় দফায় সন্ত্রাসী হামলা চালায় ঐ সিন্ডিকেটের সদস্যরা। এ সময় সন্ত্রাসীরা মো. জহিরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে জখম করে। এছাড়াও সন্ত্রাসীরা জহিরুল ইসলামের ট্রান্সপোর্ট ব্যবসার ১৫ লাখ টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায়। চমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে ভাসাইন্যার দোকান এলাকায় পৌঁছামাত্র সন্ত্রাসীরা অ্যাম্বুলেন্স আটকিয়ে তাকে পুনরায় ছুরিকাঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। অপর দিকে বাহার ছড়া এলাকায় নুরুল আবচার গ্রুপ ও ঝন্টু গ্রুপের মধ্য ব্রিক ফিল্ড নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার রাতে আদিপত্য বিস্তার নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্য সংঘর্ষ হয়। এসময় তারাবির নামাজ শেষ ওয়ালিদ (২৫) বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, ‘মবিন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।