চিকিৎসকদের ওপরও ট্রাম্পের 'খবরদারি', টিভি সাক্ষাৎকারে 'মানা'

জাতীয় টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারে আর দেখা যাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ চিকিৎসকদের। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে হোয়াইট হাউসের দেশটির যোগাযোগের উপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো ও পূনরায় অর্থনীতির চাকা খুলতে এই 'ব্যবস্থা'।  

দেশটিতে সর্বশেষ এক শীর্ষ চিকিৎসক হোয়াইট হাউজের রেসপন্স কোঅরডিনেটর ড. ডেবরাহ ব্রিক্সকে এক সপ্তাহ আগে গত ৭ মে টেলিভিশনে দেখা যায়। 

এর আগে গত ৪ মে সিএনএনে দেশটির শীর্ষ সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞ অ্যান্থনি ফাউসিকে ক্রিস কুওমোর সঙ্গে সাক্ষাতকারে আসতে দেখা যায়। 

এছাড়া দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দের প্রধান ড. রবার্ট রেডফিল্ডকে ১৭ এপ্রিলের এনবিসি নিউজের এক শো'র  পর থেকে আর জাতীয় টেলিভেশনে দেখা যায় নি। 

দেশটির ফুড এন্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কমিশানার ড. স্টিফেন হানকে সর্বশেষ দেখা যায় ২৮ এপ্রিল ফক্স নিউজে। আরেক শীর্ষ চিকিৎসক জেরম অ্যাডমসকে ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসে দেখা যায় গত ১৭ এপ্রিল। 

এসব চিকিৎসক হোয়াইট হাউসের করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের সদস্য যারা দেশটির স্বাস্থ্য সঙ্কট পরিচালনা ও তদারকি করার কাজে নিয়োজিত। 

তবে এসব চিকিৎসকদের জাতীয় টেলিভিশনে দেখা না গেলেও তাদের বিভিন্ন অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমে তারা সাক্ষাতকার দিয়েছেন বলে তাদের মুখপাত্ররা জানান। 

এছাড়া তাদের অনেকে দেশটিরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও গভর্নরের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন বলেও খবরে বলা হয়েছে। 

প্রাণঘাতী করোনায় এখন পর্যন্ত সবেচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির চিকিৎসকেরা লকডাউন শিগগিরই খুলে দেয়ার পক্ষে না হলেও ট্রাম্প এর বিরোধীতা করে আসছেন।

এছাড়া এই মাসের শুরুতে টাস্ক ফোর্সের কার্যক্রম ভেঙ্গে দেওয়া হবে বলে জানান প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে শেষমেশ সে পথে আর হাঁটেন নি। 

এখন পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লাখ ছাড়িয়েছে। সেইসঙ্গে মৃত্যু হয়েছে ৮৫ হাজারের বেশি জনের।  সিএনএন। 

ইত্তেফাক/এসআর