লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর ক্লোন করে চাঁদা দাবি করার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যানদের কাছে এ চাঁদা দাবি করে একটি প্রতারক চক্র।
উপজেলার বিবিরহাট রশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক তুহিনা আক্তার বলেন, শুক্রবার সকালে ইউএনও স্যারের অফিসিয়াল নম্বর থেকে ফোন করে আমাকে বলেছিল, একটি প্রজেক্ট থেকে কিছু দামি ল্যাপটপ এসেছে। এরমধ্যে একটি ল্যাপটপ যদি আমি নিতে চাই তা হলে তার একটি বিকাশ অ্যাকাউন্টে নয় হাজার টাকা পাঠিয়ে দিতে।
তিনি আরও বলেন, ইউএনওর কাছ থেকে এমন প্রস্তাবে আমি প্রথমে অবাক হই এবং পরে সন্দেহ হয়। পরে ইউএনও স্যারের সাথে কথা বললে জানতে পারি তাঁর অফিসিয়াল নম্বারটি ক্লোন করেছে একটি প্রতারক চক্র। এছাড়া একই দিন উপজেলার বালুরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুছ সালাম, চর সেকান্দর সফিক একাডেমির সাবেক প্রধান শিক্ষক অলক চন্দ্র দাসকে ফোন করে একই কথা বলে এবং চর পোড়াগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিনের মোবাইলে ফোন করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা দাবি করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মোমিন জানান, আমি জানতে পারি যে, উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে ল্যাপটপ দেয়ার কথা বলে আমার অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর ক্লোন করে একটি প্রতারক চক্র টাকা দাবি করছে। এছাড়া প্রতারক চক্রটি একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছেও চাঁদা দাবি করে ফোন করেছিল।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি জানার পর আমার নম্বর থেকে কেউ কোনো টাকা-পয়সা চাইলে না দেয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ করে ফেসবুকে সতর্কমূলক একটি পোস্ট দিয়েছি। প্রতারক চক্রকে ধরার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
ইত্তেফাক/আরকেজি