মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হোক

কবির ভাষায়, ‘সব সাধকের বড়ো সাধক আমার দেশের চাষা,/দেশমাতারই মুক্তিকামী, দেশের সে যে আশা।’ আমাদের দেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১০ শতাংশের বেশি। ধান উত্পাদন থেকে শুরু করে মত্স্য চাষ, শাকসবজি, পশু পালন, বনায়ন ইত্যাদি জিডিপিতে অবদান রেখে চলেছে। উত্পাদিত প্রতিটি পণ্যের পিছনে থাকে হাড়ভাঙা পরিশ্রম। কৃষি পণ্য উত্পাদনের পরের ধাপ বাজারজাতকরণ। আর এই জায়গায় ওত পেতে বসে থাকে মধ্যস্বত্ত্বভোগীরা। আমাদের দেশে সাধারণত ফড়িয়া, আড়তদাররাই এই মধ্যস্বত্ত্বভোগী শ্রেণি। নামমাত্র মূল্যে কৃষিপণ্য কিনে দ্বিগুণ বা তিনগুণ দামে বিক্রি করার মতো জঘন্য কাজই তাদের পেশা! দাদন এবং ঋণের চাপ থাকায় কৃষকদের উত্পাদিত পণ্য বিক্রি করা ছাড়া উপায় থাকে না। আর এই মোক্ষম সুযোগটা তারা ধরে নেয়। ফলাফল ভোক্তাদের পণ্য কিনতে হয় চড়া মূল্যে; কিন্তু উত্পাদক কৃষকরা দাম পান না। এই বিরাট বৈষম্যের সমাধান কী? কৃষকদের সরাসরি ভোক্তার কাছে পণ্য বিক্রির উপায় বের করা; মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের দমন, উত্পাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারকে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।

রাসেল খান

শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া