১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। যথাসময়ে জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে শঙ্কায় আছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সিলেবাস কমানো হবে নাকি শিক্ষাবর্ষ বাড়ানো হবে—এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড অর্থাত্ এনসিটিবিকে। ইতিমধ্যে বিষয়টি নির্ধারণে বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। বৈঠকে এনসিটিবি সিলেবাস কমানোর বিপক্ষে মত দিয়েছে। শিক্ষাবর্ষ বাড়ানোর দিকেই তাদের ঝোঁক বেশি। এজন্য এনসিটিবি ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। শিক্ষার মানের দিকটি বিবেচনায় রাখলে এনসিটিবি সঠিক পথে আছে বলে প্রতীয়মান হয়। তাছাড়া সিলেবাস কমানো মানে এ নয় যে, পাঠ্যবইয়ের একটি অধ্যায় রেখে একটি অধ্যায় বাদ দেওয়া কিংবা পাঠ্যবইয়ের প্রথম বা শেষের কিছু পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলা। সিলেবাস কমানো একটি গবেষণার বিষয়। তাড়াহুড়া করে সিলেবাস কমানো হলে বিষয় ও বিভাগ ভেদে বৈষম্যের সৃষ্টি হবে। সিলেবাস কমিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হলে তা হবে নির্ধারিত সময় খেলার সুযোগ না দিয়ে শুধুমাত্র টাইব্রেকারের মাধ্যমে বিজয়ী-বিজেতা ঘোষণার শামিল।
মাহবুবুল হক ইকবাল
দক্ষিণ আলেকান্দা, বরিশাল