পথে পথে হয়রানি তবু ছুটছে মানুষ

এখনো গার্মেন্টস ও দোকান কর্মচারীসহ অনেকেই ছুটছেন কর্মস্থলের দিকে। গার্মেন্টস থেকে দেওয়া হচ্ছে ফোনকল বা এস এম এস। পেটের তাগিদে ঘরে না থেকে ছুটছেন কর্মস্থলের দিকে। তবে বাড়ি থেকে বের হলেই পথে পথে পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। পরিবহন সংকটকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণির মানুষ অতিরিক্ত ভাড়ায় যাত্রীদের কর্মস্থলে পৌঁছে দিচ্ছেন। তবে সড়কে যেসব যানবাহনে যাত্রীরা চলাচল করছে এদের বেশির ভাগেরই রয়েছে যান্ত্রিক ত্রুটি।

রবিবার সকালে সরেজমিন পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় দেখা যায়, ঢাকামুখী প্রাইভেট কার, নোয়া, সিএনজি অটোরিকশা, ছোট পিকাপ, হ্যালোবাইকের মতো গাড়িও ডেকে ডেকে যাত্রী তুলছে। জনপ্রতি পরিবহন ভেদে গাবতলী পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা। এছাড়াও ঘাট এলাকায় রয়েছে প্রায় একশ মোটরসাইকেল। যাতে চালক বাদে আরো দুজন করে যাত্রী তোলা হচ্ছে। জনপ্রতি এখানেও যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। এছাড়াও এসব পরিবহনের পাশাপাশি গণপরিবহনের একাধিক গাড়িও ঘাট এলাকায় চোখে পড়ে। তারাও ফেরি থেকে নেমে আসা যাত্রীদের ডাকছেন পরিবহনে উঠতে। কেউ কেউ উঠছেন আবার পুলিশের ভয়ে অনেক যাত্রী পরিবহনে উঠতে ভয় পাচ্ছে।

পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় মালবাহী ছোটো-বড়ো ফেরিতে যাত্রীরা পাশাপাশি গাঁ ঘেঁষে দাঁড়িয়েই নদী পার হচ্ছেন। ফেরিতে চেষ্টা সত্ত্বেও মানতে পারছেন না সামাজিক দূরত্ব, অল্প জায়গা, অতিরিক্ত লোকজন সঙ্গে পরিবহন। এভাবেই ঢাকামুখী মানুষ ঝুঁকি নিয়েই পাড়ি দিচ্ছেন নদী এবং স্থলপথ। সুরক্ষা সামগ্রীর মধ্যে কেবলমাত্র মাস্কটাই পরেছেন কেউ কেউ, কেউ বা আবার খোলামুখেই।

বিআইডব্লিওটিসির (ভারপ্রাপ্ত)ডিজিএম জিল্লুর রহমান জানান, ছোটো-বড়ো মিলিয়ে বর্তমানে আটটি ফেরি চলছে। পণ্যবাহী ও জরুরি গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন আমরা পারাপার করছি না।

পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় দায়িত্বরত ট্র্যাফিক ইন্সপেক্টর অলিদ কুমার মন্ডল জানান, কিছু পরিবহন স্থানীয় কিছু দালাল চক্রের মাধ্যমে ঝিটকা দিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছে। কিছু দালালের চাঁদাবাজির অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছি।