ঘূর্ণিঝড় আমফান থেকে খামারিদের রক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ------- মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ঘূর্ণিঝড় আমফানের ক্ষয়ক্ষতি থেকে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উত্পাদক, চাষি ও খামারিদের রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ‘নিরাপদ আশ্রয়ে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি সরিয়ে নেওয়ার জন্য রক্ষণশীল মানুষদের বোঝাতে হবে। প্রয়োজনে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।

সভায় মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন ও শ্যামল চন্দ্র কর্মকার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মত্স্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার, বাংলাদেশ মত্স্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদসহ খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপপরিচালকগণ ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন।

সভায় মন্ত্রী কী পরিমাণ মাছ ধরার ট্রলার নদী বা সমুদ্রে আছে তার তথ্য কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়কে জানাতে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘যেসব মত্স্য নৌযান সমুদ্রে বা বড়ো নদীতে রয়েছে তাদেরকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে।’ তিনি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণের নির্দেশ দেন। যাতে বরাদ্দকৃত খাদ্য প্রকৃত খামারিদের কাছে পৌঁছায়। সভায় দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তীতে রাজস্ব খাত থেকে তাত্ক্ষণিক ত্রাণ সহায়তা দেওয়া, হ্যাচারিতে মাছের পোনা ও হাঁস-মুরগির বাচ্চা উত্পাদন অব্যাহত রাখা এবং উপদ্রুত এলাকায় টিকা প্রদান, চিকিত্সা, কৃত্রিম প্রজনন, পরামর্শ প্রদানসহ কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।