ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে অস্বাভাবিক জলোচ্ছ্বাসের কারণে কলাপাড়ার নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানিতে সহস্রাধিক কাঁচা বাড়ি ঘর প্লাবিত হয়েছে। হাজারো মাছের ঘের ও পুকুরের মাছ ভেসে গেছে।
এদিকে বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড সিপিসি টিম লীডার মোঃ. শাহ আলম মীর (৫৪) প্রচার কাজের সময় নৌকাডুবিতে নিখোঁজ রয়েছে।
সকাল থেকেই প্রস্তুতকৃত ১৯৭ টি আশ্রয় কেন্দ্রে নিম্নাঞ্চলসহ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল এবং ঝুকিপূর্নভাবে বসবাসকারী মানুষজনকে সরিয়ে নিতে শুরু করে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচীর স্বেচ্ছাসেবকসহ ইউপি জনপ্রতিনিধি এবং পুলিশ প্রশাসন। পাশাপাশি জানমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে ৫/৭ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে বুধবার সকালে কলাপাড়ার উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের ১৪টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় ৮ হাজার মানুষ পানি বন্ধী হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস।
ইত্তেফাক/এসআই