বল শাইনিং আইসিসির সুস্পষ্ট নির্দেশনা চান গিবসন

স্পোর্টস রিপোর্টার

করোনা ভাইরাসের কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে ক্রিকেট বলে মুখের লালা ব্যবহারের বিষয়টি। বল শাইন তথা বলের একপাশের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে মুখের লালা ব্যবহার করতেন ক্রিকেটাররা। কিন্তু এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। কারণ এর মাধ্যমে ছড়াতে পারে করোনা।

আইসিসির ক্রিকেট কমিটি ইতিমধ্যে সুপারিশ করেছে যে, ভবিষ্যতে বলের শাইনিং ঠিক রাখতে লালা ব্যবহার করা যাবে না। বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে অনেক পদ্ধতির কথাই উঠে এসেছে। অনিল কুম্বলের নেতৃত্বাধীন আইসিসির ক্রিকেট কমিটি বলেছে, শরীরের ঘাম ব্যবহার করতে পারবেন ক্রিকেটাররা।

বাংলাদেশের বোলিং কোচ ওটিস গিবসন বলেছেন, লালা ব্যবহার করা যাবে না এটা স্পষ্ট। কিন্তু কি ব্যবহার করা যাবে বা কি ব্যবহার করা যাবে না তার জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিতে হবে আইসিসিকে। করোনা পরবর্তী সময়ে ক্রিকেট বলের শাইনিং ধরে রাখতে আইসিসির গাইডলাইনের অপেক্ষায় আছেন এই ক্যারিবিয়ান কোচ।

সংবাদ মাধ্যমকে গিবসন বলেছেন, ‘আমার মনে হয় খেলাটার জন্য এটা একটা দারুণ সময় আসছে। কিছু জিনিস নিশ্চিতভাবে পরিবর্তন হবে। যেভাবে আমরা বলের দেখভাল করি সেখানে পরিবর্তন আসছে। অনেক দলই একই পদ্ধতিতে বলটা মেইনটেইন করে বিশেষ করে রিভার্স সুইং পাওয়ার জন্য। আমরা আরো দেখেছি রিভার্স সুইং পেতে কৃত্রিমভাবে অনেক কিছু করার চেষ্টা করে।’

আইসিসির পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা আশা করছেন গিবসন। বাংলাদেশের বোলিং কোচ বলেন, ‘আমার মনে হয় এই মুহূর্তে আইসিসিকেই মূল দায়িত্ব নিতে হবে। কি ব্যবহার করা যাবে বা যাবে না, এই ব্যাপারে সুস্পষ্ট হতে হবে আইসিসিকে। তাদেরকে বলতে হবে, এগুলো হচ্ছে নিয়ম যা সব দলকে মানতে হবে।’

তবে দলগুলো কি চায় এবং তাদের চাওয়ার ওপর সব ছেড়ে দিতে নারাজ তিনি। তার মতে, আইসিসি গাইডলাইন দিবে, দলগুলো সেটা অনুসরণ করবে, এমনটাই হওয়া উচিত।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার ফাস্ট বোলার প্যাট কামিন্স মনে করেন, লালার ব্যবহার স্বাস্থ্যের পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ তাই ঘাম ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে বল শাইনিং করতে আরো কৃত্রিম পদ্ধতি দেখার আশায় আছেন কামিন্স।