চিকিত্সক ছেলেকে পাগল বানানোর অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে

সম্পত্তির লোভে নিজের ছেলেকে পাগল বানানোর অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে। চিকিত্সক ছেলেকে মানসিক রোগী বানিয়ে মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ৯ বছর ধরে আটকে রাখা হয়। সেখান থেকে মুক্তি পেয়ে গতকাল এই ছেলে ডা. রাফেল মো. আনোয়ারুল কবির ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে ডা. রাফেল বলেন, পারিবারিকভাবে প্রতারণা ও নির্যাতনের শিকার তিনি। তার মা ডা. লতিফা সামসুদ্দিন ও বোনদের সহযোগিতায় পরিকল্পিতভাবে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, টাকা-পয়সা ও পিতার সকল সম্পত্তি, টাকা-পয়সা আত্মসাত্ করার জন্য তাকে পাগল ও নেশাগ্রস্ত সাজানো হয়েছে। এছাড়া তাকে  প্রায় ৯ বছর রিহ্যাব সেন্টারে আটকে রাখা হয়েছিল। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সংস্থার মহাসচিব মো. নুরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক দীলিপ কুমার পাল, যুগ্ম মহাসচিব কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. রাফেল মো. আনোয়ারুল কবির বলেন, রিহ্যাবে থাকাবস্থায় তারা বাবা ডা. এ কে এম সামসুদ্দিন তখন গুরুতর অসুস্থ। ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি তার বাবা হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান। তখনো তিনি রিহ্যাবে বন্দি অবস্থায়।

ডা. রাফেল বলেন, তার মা প্রতিনিয়ত ও বিভিন্ন লোক মারফতে জীবননাশের হুমকি দিচ্ছেন। যে কোনো মুহূর্তে জীবনে মেরে ফেলতে পারে। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। প্রাণ বাঁচাতে বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে থাকছেন। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। এ অবস্থায় মা ডা. লতিফা সামসুদ্দিন তার সঙ্গে যে অন্যায় আচরণ করেছেন তার প্রতিবাদ করেন। তার বাবার সম্পত্তির অধিকার ফেরত দেওয়ার দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে ডা. লতিফা সামসুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারব না।