এএফসির এগিয়ে আসার খবরে বসুন্ধরা কিংসে স্বস্তি

সোহেল সারোয়ার চঞ্চল

দক্ষিণ এশিয়া হতে ভারতের চেন্নাই সিটি এফসি, মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস এবং টিসি স্পোর্টস ক্লাব এবং বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস খেলছে এএফসি কাপে। দক্ষিণ এশিয়ার এই ক্লাবগুলোর সঙ্গে এএফসির সভা করার ঘোষণায় একটা স্বস্তি পাচ্ছে বসুন্ধরা কিংস। প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস এএফসি কাপ ফুটবলে একটি ম্যাচও খেলে ফেলেছে। কিন্তু করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ এর কারণে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া ফুটবল দুনিয়ায় অন্ধকারে হাবুডুবু খাচ্ছে বসুন্ধরা কিংস। দুশ্চিন্তায় থাকা বসুন্ধরা কিংস আপাতত একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। আগামী ৫ জুন দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল দেশগুলোর সঙ্গে এএফসি অনলাইনে কনফারেন্স করার ঘোষণা দিয়েছে। যেখানে বাফুফেও থাকবে। তবে ক্লাবগুলোর বক্তব্যই এখানে গুরুত্ব পাবে। করোনা আক্রান্ত পরিস্থিতিতে দেশের বর্তমান অবস্থান কি, তা জানতে চাইবে। সেখানে নিজ নিজ ফুটবল ক্লাবগুলো অবস্থান তুলে ধরবে। এএফসির কাছে বসুন্ধরা দ্রুতই একটা সিদ্ধান্ত জানতে চায়। এএফসি কাপের পরবর্তী রূপরেখা জানতে চায়। কারণ বিদেশি ফুটবলারদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপার রয়েছে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানিয়েছেন, বসুন্ধরা বড়ো অংকের পারিশ্রমিক দিয়ে বিদেশি খেলোয়াড় নিয়েছে। তারা অপেক্ষায় রয়েছে। এখন এএফসির ওপর নির্ভর করছে কবে নাগাদ খেলা শুরু হবে। সোহাগ বললেন, ‘আমার মনে হয় না এখনই খেলা শুরু হয়ে যাবে। কারণ অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করছে। এক দেশ আরেক দেশে যাবে। সেখানকার বিমান চলাচল শুরু হচ্ছে কি না। আরো বেশ কিছু বিষয় বিবেচনা করবে। দেখা যাক, এখনই সবকিছু বলা যাবে না। ৫ জুন মিটিং রয়েছে সেটা হয়ে গেলে বসুন্ধরা আরো নিশ্চিত হতে পারবে। আপাতত এই টুকু বলা যায়, দ্রুতই জানা যাবে।’

বসুন্ধরা কিংস এএফসি কাপে খেলার জন্য মেসির সতীর্থ আর্জেন্টাইন ফুটবলার বারকোসকে আনতে কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। এই মাপের ফুটবলার আনা কঠিন। সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে সফল হয়েছিল বসুন্ধরা। ঢাকায় এনে ১০ মার্চ এএফসি কাপের একটা ম্যাচও খেলিয়েছে। ৫১ গোলে মালদ্বীপের ক্লাবের বিপক্ষে বারকোস তার ফুটবল শৈলী তুলে ধরেছিলেন। অসাধারণ একজন ফুটবলার। জাত চিনিয়েছিলেন তিনি। ফুটবল দর্শক অপেক্ষায় ছিলেন আরো ম্যাচ দেখবেন বলে। বসুন্ধরাও বারকোস এবং লিগে খেলা কোস্টারিকার ফুটবলার দানিয়েল কলিন্দ্রেসকে রেখেছিল। কলিন্দ্রেসের চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ। আর বাকি যারা রয়েছেন কিরগজি ফুটবলার বখতিয়ার, আর্জেন্টাইন দেলমেন্ত এবং বারকোসের চুক্তির মেয়াদ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মে মাস পর্যন্ত চুক্তি হলেও বসুন্ধরার মিডিয়া ম্যানেজার আহমেদ শায়েক জানিয়েছেন, কলিন্দ্রেসের চুক্তির ব্যাপারে আলোচনা চলছে।’ ব্রাজিলীয়ান স্ত্রী নিয়ে আর্জেন্টাইন বারকোস এখন ব্রাজিলে। স্প্যানিশ কোচসহ অন্য বিদেশি ফুটবলাররা ঢাকায়।