সোশ্যাল মিডিয়ার সুরক্ষাকবচ প্রত্যাহারের এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই আদেশের মাধ্যমে ফেসবুক ও টুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ‘আপত্তিজনক’ কনটেনটের জন্য তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে। এদিকে টুইটার কর্তৃপক্ষ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আদেশের পালটা পদক্ষেপ হিসেবে তার বার্তা হাইড করে দিয়েছে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের
২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ওপর অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে বড়ো মাপের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর যথেষ্ট ক্ষমতা রয়েছে বলে ট্রাম্প অভিযোগ করেন। তার মতে, সেক্ষেত্রে আমাদের স্বাধীনতা আর থাকবে না।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফরমগুলোর ক্ষমতা তদারকির কোনো ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ করেছেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘বর্তমানে টুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়া জায়েন্টরা নিরপেক্ষ প্ল্যাটফরমের তত্ত্বের জোরে ব্যাপক সুরক্ষার মধ্যে রয়েছে। যদিও সেই সুরক্ষা পাওয়ার কথা নয়। আমরা এতে বিরক্ত। এটা অনৈতিক। খুবই অনৈতিক।’ সম্প্রতি টুইটার কর্তৃপক্ষ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বার্তার সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের সুযোগ দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
টুইটারের পালটা পদক্ষেপ
মিনেসোটায় কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার পর বিক্ষোভ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দুইটি টুইট বার্তা হাইড করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ঐ বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রেকে অভিযুক্ত করে লেখেন, ‘রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতায় আমেরিকায় মিনিয়াপোলিসের মতো বড়ো শহরে এমন ঘটনা আমি সমর্থন করতে পারি না। হয় মেয়র জ্যাকব ফ্রে নিজে পরিস্থিতি সামলান, না হলে আমি জাতীয় নিরাপত্তারক্ষী পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেব’।