কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র। বিক্ষোভকারীরা গত শুক্রবার রাতে হোয়াইট হাউজের বাইরেও জড়ো হন। এসময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউজের আন্ডারগ্রাউন্ড বাঙ্কারে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ঘটনার সম্পর্কে সরাসরি জ্ঞাত এমন ব্যক্তির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ওই বাঙ্কারে এক ঘণ্টার কম সময় ধরে ছিলেন। এর পর তাকে উপরে নিয়ে আসা হয়।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসময় ট্রাম্পের সহধর্মিণী মেলেনিয়া ট্রাম্প ও তার পুত্র ব্যারন ট্রাম্পকেও বাঙ্কারে নিয়ে যাওয়া হয়।
হোয়াইট হাউজ অভিমুখে শত শত মানুষ বিক্ষোভের জন্য জড়ো হতে যাত্রা শুরু করলে দেশটির সিক্রেট সার্ভিস ও পার্ক পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের বাধা দেয়।
এদিকে গত রোববার বিক্ষোভকারীদের দমাতে দেশটির বহু শহরে জারি করা হয়েছে কারফিউ। সিএনএন জানিয়েছে ৪০ টি শহরে জারি করা হয়েছে কারফিউ। সেইসঙ্গে হাজার হাজার দেশটির ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
Cars being set on fire in downtown DC. About two blocks from the White House. @CBSNews pic.twitter.com/id9j662MkU
— Fin Gomez (@finnygo) June 1, 2020
গত ২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বড় শহর মিনিয়াপলিসে পুলিশের হাতে জর্জ ফ্লয়েড নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ নির্মমভাবে নিহত হন। এরপরই শুরু হয় বিক্ষোভ। ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনায় চার পুলিশ কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করে মিনিয়াপলিস পুলিশ বিভাগ।
এদের মধ্যে ফ্লয়েডের ঘাড়ে হাঁটু দিয়ে চেপে ধরা ৪৪ বছর বয়সী দেরেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ফ্লয়েডকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।
ইত্তেফাক/এসআর