স্পোর্টস রিপোর্টার
দেশের পরিস্থিতি না বুঝে এবং এএফসির পরামর্শ না নিয়ে ফুটবল মাঠে গড়নোর কথা ভাবছে না বাফুফে। করোনা ভাইরাসের কারণে এখনো দুনিয়া জুড়ে উত্কণ্ঠা বিরাজমান। দেশেও একই পরিস্থিতি। লকডাউন পুরো উঠে না গেলেও সীমিত আকারে সরকারি-আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান খুলছে। ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোতে দুই-একজন যাওয়া-আসা করলেও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিধিনিষেধের মধ্যে থাকতে হচ্ছে দায়িত্বরতদের। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ রাখঢাক না করে পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন তারাও দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতির বাইরে না। জীবন যেখানে বিপন্ন সেখানে খেলা মাঠে গড়ানোর বিষয়টা অতীব জরুরি নয়। তবে খেলাধুলার দুয়ার যে বন্ধও না সেটাও ভাবছে বাফুফে। সাধারণ সম্পাদক এএফসির সঙ্গে কথা বলছেন। গতকাল বিকালে এএফসির সঙ্গে কথা বলছিলেন। ফেডারেশনের নানা বিষয় তো আছেই, সেই সঙ্গে কবে নাগাদ খেলা শুরু করা যায় তা নিয়েও আলোচনা উঠেছিল। এএফসি দক্ষিণ এশিয়ার করোনা পরিস্থিতি জানতে চায়। সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরছেন ভার্চুয়াল আলোচনায়। কিন্তু মাঠে ফুটবল গড়ানোর ব্যাপারে সলিড কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক। খুব সহসাই হওয়ার সুুযোগ কম। কারণ এএফসিও উপমহাদেশের করোনা ভাইরাস নিয়ে সতর্ক।
এএফসিই বা কেন, দেশের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ও করোনা ভাইরাসের কারণে এখনই কোনো খেলা মাঠে গড়ানোর ব্যাপারে মত দিচ্ছে না। যেসব খেলায় শরীর স্পর্শ হয় সেগুলো নিয়ে মাথা ব্যথা আছে মন্ত্রণালয়ের। যেসব খেলায় শারীরিক দূরত্ব থাকে সেসব খেলার সঙ্গে ফুটবল কাবাডির মতো এই জাতীয় খেলা ঝুঁকিপূর্ণ। ইনডোর জেনেশুনে বিপদ ডেকে আনতে রাজি না মন্ত্রণালয়। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বলছে তারা চলতি জুন মাসটা পর্যন্ত সময় নিতে চায়। বাফুফেও পরিস্থিতি আরো কিছু দিন পর্যবেক্ষণ করতে চায়।