অবৈধ মানব পাচার

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দালালদের মাধ্যমে অবৈধ পথে বিদেশ পাড়ি দেন অনেকে। এতে তাদের প্রায়শ নির্মমভাবে মূল্যবান জীবনও দিতে হয়। এই মানব পাচার প্রতিরোধে আমাদের করণীয় কী? এই ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত আজ প্রকাশিত হলো

অবৈধ মানব পাচার তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোর প্রধান একটি সমস্যা। সম্প্রতি লিবিয়ায় বাংলাদেশের ২৬ নাগরিকের হত্যাকাণ্ড আবারও ভাবিয়ে তুলছে মানব পাচারের ভয়াবহতা সম্পর্কে। মানব পাচার ঠেকাতে পাচারের শিকার হওয়া দারিদ্র্যসীমার নিচের মানুষগুলোর উন্নত জীবনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সেই সঙ্গে ‘মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২’-এর কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। এর পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সভা ও সেমিনারের আয়োজন এবং মিডিয়ায় তা ব্যাপক প্রচার করা প্রয়োজন।

মো. আল-আমিন ইসলাম

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর।

অবৈধ মানব পাচার ও অভিবাসন একটি বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে। অনুন্নত বা স্বল্পোন্নত দেশগুলো থেকে মানুষ নানা উপায়ে উন্নত দেশগুলোতে যাচ্ছে। এতে একদিকে নাগরিকের জীবন ও সম্পদ ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে, তেমনি সামাজিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। উচ্চ আশা ও উচ্চ বিলাস থেকেও মানুষ দেশের বাইরে যাচ্ছে। তারা মনে করে, বিদেশ যাওয়াই সম্মানের। দেশে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের কোনো ব্যবস্থা না থাকায়  মানুষ বিদেশ গিয়ে নিজের জীবন ও ভবিষ্যত্ নিরাপদ করতে চায়। তাই দালাল ও পাচারকারীদের ফাঁদে পড়ে অনেকেই সর্বস্বান্ত হন এবং অনেক সময় জীবন বিপন্ন হয়।

মোহাম্মদ শহীদউল্যা

হকভিলা, মেরাদিয়া, ঢাকা

বৈধ সহজীকরণ হলে অবৈধ কমে যায়, অবৈধভাবে কেউই হয়তো বিদেশে যেতে চায় না, তবে বিভিন্ন কারণে অনেকে যায়। আমরা যাকে ছোটো কাজ বলি তা করতে চায় না অনেকে। যেমন- গাড়ি চালনা, ক্ষুদ্র ব্যবসা, বাস বা যে কোনো পরিবহনের হেলপার, হোটেল বয়, ক্লিনার ইত্যাদি। অথচ বিদেশে গিয়ে এরকম কাজই করি। আমরা ঘন বসতি দেশের মানুষ। কিছু লোভও কাজ করে। পাশের বাড়ির কেউ হয়তো অবৈধভাবে বিদেশে গিয়ে আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়েছে, তাই তাকে দেখে অনেকে ঝুঁকি নেয়, হতাশা থেকেও অবৈধভাবে বিদেশে যায় অনেকে।

মো. ফিরোজ আহম্মেদ

মিরপুর, ঢাকা

বুকভরা আশা ও স্বপ্ন নিয়ে বিদেশের মাটিতে পা রেখেছিল ২৬ জন বাংলাদেশি। নিহত ২৬ বাংলাদেশির স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল। মানব পাচারকারী দল কথা দিয়ে কথা রাখেনি। একে একে ২৬ জনকে গুলি করে হত্যা করে মানব পাচারকারীরা। আহতদের সুচিকিত্সার ব্যবস্থা করতে হবে। নিখোঁজ ১৩ জন বাংলাদেশিকে জীবিত উদ্ধার করতে হবে। দেশি-বিদেশি মানব পাচারকারীদের আটক করে শাস্তি দিতে হবে। নিহত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

আমাদের দেশে ভূমির তুলনার জনসংখ্যা অনেক বেশি। বেকারের হারও বেশি। অর্থনীতি দুর্বল। কর্মসংস্থান কম, শিক্ষাব্যবস্থা দুর্বল, এ কারণে অবৈধভাবে মানব পাচার বেশি ঘটতে পারছে। এ ব্যাপারে কোনো সরকারই কঠোর পদক্ষেপ নেয়নি। সরকার ইচ্ছে করলেই মানব পাচারের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে পারে। পুলিশ, প্রশাসন, গোয়েন্দা বিভাগ— সবারই জানার কথা কারা মানব পাচার করছে । আজকে দেশে কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের ধনী ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে যাদের জীবনে প্রথম ব্যবসা ছিল অবৈধভাবে মানব পাচার করা। সরকার ইচ্ছে করলে আইনের আওতায় এনে তাদের বিচার করতে পারে।

সাইদুল ইসলাম তানভীর

বারিধারা, গুলশান, ঢাকা

মানব পাচার বন্ধ করতে সরকার সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রচার করছে।  বিদেশে চাকরির ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই করে সে দেশে যাওয়ার জন্য জনগণকে সতর্ক করছে। তা সত্ত্বেও দালালের প্ররোচনায় চোরাই পথে তারা বিদেশে পাড়ি জমায়। কেউ সাগরে ডুবে প্রাণ হারায়, আর কেউ দুর্বৃত্তদের হাতে জীবন দেয়। এ ব্যাপারে আমাদের আরো সজাগ ও সতর্ক হওয়া উচিত।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

অবৈধ মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত দেশীয় ও বিদেশি দালাল চক্র। এই চক্রের হোতাদের চিহ্নিত করে অতি দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। প্রয়োজনে আইনের সংশোধন করতে হবে। পাঁচ বছরের মধ্যে দালাল চক্রের কোনো সদস্য যেন জামিন না পায় আইনের এমন ধারা প্রবর্তন করে অবৈধ মানব পাচার বন্ধ করতে হবে। পাচারকারীদের গডফাদারদের ধরতে হবে। তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা করতে হবে।

মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ

সরদারপাড়া, মুন্সীগঞ্জ

সম্প্রতি ২৬ বাংলাদেশিকে লিবিয়ায় হত্যা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু ২৬ ব্যক্তিই মারা যায়নি, মৃত্যু হয়েছে ২৬টি পরিবারেরও। অত্যন্ত পীড়াদায়ক ঘটনা। এ ধরনের মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। তাই আমরা মনে করি, দায়ী দালালচক্রের বিরুদ্ধে আশু ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। মানব পাচার রোধে দরকার কঠোর নজরদারি।

সুলতানা জামান

মানিকনগর, ঢাকা

জীবন মানেই যন্ত্রণা, দুঃখ, কষ্ট আর বেদনাময় একটি নাটক। আর এই জীবনের দুঃখ-কষ্ট কিছুটা লাঘবের জন্য, একটু ভালো থাকার জন্য কিছু মানুষ দুর্গম-গিরি প্রান্তর মরুপথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে গিয়েছিল লিবিয়ায়। কিন্তু অত্যন্ত মর্মান্তিক বিষয় তারা তাদের ভাগ্যের চাকা আর ঘুরাতে পারল না। তাই আমরা মনে করি, এই সকল অবৈধ মানব পাচার ঠেকাতে এখনই জরুরি ভিত্তিতে আইন করে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বজলুল করিম

রিসোর্স ইন্ট্রিগ্রেশন সেন্টার (রিক), ধানমণ্ডি, ঢাকা

আমাদের দেশে শ্রমিক ভিসায় যারা বিদেশে কাজের সন্ধানে যান, তারা প্রায় সবাই নিজের ভিটা, জায়গাজমি বিক্রি করে অজানা দেশে পাড়ি জমান। অন্য দিকে এক শ্রেণির দালাল চক্র সেই অসহায় ব্যক্তিকে জিম্মি করে পরিবারকে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। আর টাকা না দিতে পারলে মৃত্যুর হুমকি দেয়। বিষয়টি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

ভালো চাকরি আর নিরাপদ জীবনযাপনের আশায় বিদেশ যাত্রা। দালালের হাতে লাখ লাখ টাকা দিয়ে এমন স্বপ্নচারী মানুষগুলো যখন ঘর থেকে বের হন, তখন থেকেই বিপদ শুরু হয়। তাদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় দালাল চক্র। তখন থেকেই তারা জিম্মি হয়ে পড়েন। কাঙ্ক্ষিত দেশ পর্যন্ত যেতে দেশে দেশে দালাল চক্রের কাছে বিক্রি হন। বিক্রি হতে হতে কারো ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে ধাপে ধাপে বিরাট অঙ্কের টাকা দিয়ে বিদেশ যেতে পারেন। আবার যাদের ভাগ্য সহায় হয় না, তারা বিভিন্ন দেশের জেলে স্থান পান। অনেকে সাগরে ডুবে মারা যান। ইউরোপ পাচারকারীদের প্রথম ‘ট্রানজিট পয়েন্ট’ লিবিয়া। ইউরোপীয় ইউনিয়নের তথ্য মতে, ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৭ হাজার অভিবাসী সাগর পথে ইউরোপে ঢুকেছেন। একইভাবে রোহিঙ্গাদের মালয়েশিয়া পাঠানোর নাম করে দেশি-বিদেশি চক্র আরেক বিপজ্জনক খেলায় মেতে উঠেছে।

মো. জিল্লুর রহমান

সতীশ সরকার রোড,  গেন্ডারিয়া, ঢাকা

মানব পাচার প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের পাশাপাশি আমাদের সচেতনতাও প্রয়োজন। সবাই যদি সচেতন হই তাহলে পাচার রোধ করা যাবে সহজেই। পাচারের শিকার হচ্ছে যারা তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

সাদিয়া সুলতানা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ

সাভার, ঢাকা

অর্থকষ্ট লাঘবে মানুষ অনেক কিছুই করে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদেশ পাড়ি দেয়। সম্প্রতি লিবিয়ায় ২৬ জনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড চোখে আঙুল  দিয়ে দেখিয়ে দিল—সময় এসেছে, অবৈধ উপায়ে মানব পাচারকারী সিন্ডিকেট হোতাদের আইনের আওতায় এনে  কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

মো. মুরাদ হোসেন

মধুখালী, ঝিকরগাছা,যশোর

রাষ্ট্রের পক্ষে আইন বাস্তবায়নে যারা নিয়োজিত রয়েছেন তাদের সদিচ্ছা যদি থাকে তাহলে সহজে মানব পাচারের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ মানব পাচারের অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। গ্রামে বসবাসকারী দরিদ্র লোকেরা আকর্ষণীয় চাকরির প্রস্তাবে সহজেই প্রতারিত হয়। তারা সেই প্রতারণা ধরতে না পেরে সহজেই অবৈধভাবে স্থানান্তরিত হয়। অনেক সময় মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি অপহরণের শিকার হয়।

বিলকিছ আক্তার

কাউনিয়া, রংপুর

একশ্রেণির মুনাফাখোর পাচারকারী চক্রের মিথ্যা প্রলোভন ও পরিস্থিতির চাপে গ্রামের অসহায় ও স্বল্প শিক্ষিত নারী-পুরুষ, জীবিকার তাগিদে শহরে আসা ভাগ্যবিড়ম্বিত মানুষ, অবিবাহিত, তালাকপ্রাপ্তা, বিধবা এবং স্বামী পরিত্যক্ত নারী ও অনাথ শিশু-কিশোররা হচ্ছে পাচারের শিকার। এছাড়া উন্নত জীবনের মোহে পড়ে অনেক তরুণও পাচারকারীদের সহজ শিকারে পরিণত হয়। এই পাচার রুখতে হলে প্রচলিত আইনের কঠোর প্রয়োগের সঙ্গে সঙ্গে শক্তিশালী গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

আবু ফারুক

সহকারী শিক্ষক, ভাগ্যকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর, বান্দরবান

আধুনিক ও সময়োপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়ন ও পর্যাপ্ত কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সমাজের দরিদ্র ও অসহায় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন করা গেলে বিদেশে গিয়ে ভাগ্যোন্নয়নের চেষ্টা বন্ধ হবে। যেসব রুটে অবৈধ মানব পাচার হয় সেসব রুটে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে মানব পাচার রোধ করা যায়।

এ এফ এম সালাহউদ্দীন

বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা

আত্মকর্মসংস্থানমূলক কাজের সুযোগ সৃষ্টি ও সহজ শর্তে অর্থায়নের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে অবৈধপথে বিদেশ পাড়ি দেওয়ার অদম্য ইচ্ছে অনেকাংশেই কমবে। পাচারের পর উদ্ধারকৃতদের যথাযথ পুনর্বাসনে সরকারকে টেকসই পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

মোহাম্মদ ফয়সাল

ডি টি রোড, পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম

জীবন-জীবিকার তাড়নায় দেশ-বিদেশে কাজের  সন্ধান করে গরিব শ্রেণির মানুষ। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রচ্ছায়ায় অবৈধ মানব পাচারকারী চক্র সক্রিয়। ঐ শ্রেণি সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। মানব পাচারকারী চক্রটিকে খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

আলহাজ জিয়াউল হক সরকার

করমতলা,পূবাইল, গাজীপুর

মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিরা যেন সমাজে সম্মান ও মানমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারে সেজন্য আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। অনেকেই একঘরা জীবনযাপন করে। তাদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

অমিত বণিক

উত্তরা, ঢাকা

‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’। এই কারণে অবৈধভাবে অদক্ষ শ্রমিকরা দালালের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে বিদেশে গিয়ে প্রতারিত হয়, এমনকি প্রাণহানিও ঘটে। সম্প্রতি সিরিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে। তাই সবার কাছে অনুরোধ—অবৈধভাবে অদক্ষ শ্রমিক যেন দালালের মাধ্যমে বিদেশে না যায়।

খন্দকার কামরুল খান

উত্তর পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা

অবৈধ মানব পাচার অবশ্যই বন্ধ হওয়া দরকার। একশ্রেণির দালাল চক্র অসহায় মানুষদের নিঃস্ব করে তোলে। তাই এর জন্য প্রয়োজন প্রচার-প্রচারণা ও আইনী ব্যবস্থার কঠোর বাস্তবায়ন।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আবারপুর, ঝিনাইদহ

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অন্ধকারে পথ চলার কোনো অর্থ নেই। এতে প্রশান্তি নেই, নেই আনন্দ। তাই বলব অবৈধভাবে বিদেশ পাড়ি দেওয়ার মানেই হচ্ছে ঠিকানাবিহীন পথচলা। এ পথকে রুদ্ধ করতে হবে খুব দ্রুত।

শিউলি বেগম

সাভার, ঢাকা

বিদেশে পাড়ি দেওয়ার আগে প্রত্যেকে যেন ভালোভাবে জেনে-শুনে তারপর সিদ্ধান্ত নেন।

মো. রবিউল হোসেন রবি

পুরানা পল্টন, ঢাকা