নাগরপুরে চিকিৎসকসহ ৫ জন করোনায় আক্রান্ত

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নতুন করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডেন্টাল সার্জন, মেডিকেল অ্যাসিসটেন্টসহ ৫ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে ৩১ মে রাতে নাগরপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। তাঁর সংস্পর্শে এসে তাঁর স্ত্রী নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ডেন্টাল সার্জন ডা.তানিয়া সাফিয়া, মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট প্রদীপ কুমার দে (৩৮) আক্রান্ত হন। 

 

এছাড়া উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের মুশুরিয়া গ্রামের আরিফুল ইসলাম (৩৫), সহবতপুর ইউনিয়নের দারা কুমুল্লী গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. মিলন (৫৫) ও নাগরপুর সদর ইউনিয়নের আন্দিবাড়ি গ্রামের মো.খোরশেদ আলমের ছেলে সুমন মিয়া (২৫) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। গত ৩১ মে স্বাস্থ্যকর্মীরা নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠান। এর মধ্যে শুক্রবার (৫ জুন) সকালে রিপোর্ট আসে নাগরপুরে নতুন করে এই ৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্ত ৫ জন রোগীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো.রোকনুজ্জামান খান।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রোকনুজ্জামান খান বলেন, নাগরপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুরের সংস্পর্শে তাঁর স্ত্রী ডেন্টাল সার্জন ডা. তানিয়া সাফিয়া ও মেডিকেল অ্যাসিসটেন্ট প্রদীপ কুমার দে আক্রান্ত হন। ডা. তানিয়া সাফিয়া তাঁর স্বামীর সাথে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া বাকি যে তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন তারা সকলেই ঢাকা থেকে ঈদ করতে বাড়িতে এসেছিলেন। এর মধ্যে যতটুকু জানা গেছে সুমন মিয়া নমুনা দেওয়ার পর চাকরি করতে ঢাকার জামগড়ায় চলে গেছে। সুমনের পরিবারকে তার করোনা পজেটিভের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

 

এ সময় তিনি আরো বলেন, নাগরপুর উপজেলা ঢাকা ও মানিকগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা। এ উপজেলায় গাজীপুর, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, সাভারসহ বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন এসেছে। মানুষ সচেতন না হওয়ায় করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আক্রান্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন হাসপাতাল ও নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন। তিনি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উপজেলাবাসীকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

 

ইত্তেফাক/এএম