আইসিসির বর্ষশেষ র্যাংকিং অনুযায়ী গতকাল ২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সরাসরি অংশ নেওয়া দলগুলোর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ও র্যাংকিংয়ের সেরা ৭ দল খেলবে সরাসরি ‘সুপার ১২’ পর্ব থেকে। আর র্যাংকিংয়ের নয় ও দশে থাকা শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশকে খেলতে হবে গ্রুপপর্ব নামের একটি বাছাইপর্ব। এই বাছাইপর্ব খেলা নিয়ে হতাশা থাকলেও বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেছেন, তিনি মূল পর্বে খেলার ব্যাপারে আশাবাদী।
২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়ায়। আগামী বছরের ১৮ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্ট। সে জন্য র্যাংকিং বিবেচনার শেষ দিন ছিল ৩১ ডিসেম্বর। সেই দিনের র্যাংকিং অনুযায়ী সরাসরি ‘সুপার ১২’ পর্বে খেলবে পাকিস্তান, ভারত, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তান। সেরা দশে থাকা বাকি দুই দল অংশ নেবে প্রথম পর্বে। এই প্রথম পর্বে যোগ দেবে প্রাথমিক বাছাই পর্ব পার করে আসা আরও ছয় দল।
প্রাথমিক বাছাইপর্ব থেকে কোন ছয় দল আসবে এবং বাছাইপর্ব কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, সেটা আইসিসি এখনো নিশ্চিত করেনি। তবে ২০১৯ সালেই এই পর্ব সম্পন্ন হবে।
এই টুর্নামেন্টের সরাসরি মূল পর্ব খেলতে না পারায় একটু হতাশা প্রকাশ করে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব বলেছেন, ‘আমরা সুপার-১২ পর্বে একটা জায়গা করে নিতে পারিনি। তবে আমি নিশ্চিত যে, আমরা গ্রুপপর্বে খুব ভালো করব এবং ওই জায়গায় পৌঁছাতে পারব। আমরা নিজেদের দিনে আমাদের সেরা ক্রিকেট খেলতে পারি। ফলে ওই পর্যন্ত (সুপার-১২) আমাদের না যাওয়ার আমি কোনো কারণ দেখি না। এখনো অনেক সময় আছে। ফলে আমরা এই সময়টা কাজে লাগাব এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় আমাদের সেরা ছন্দে থাকব বলে আশা করি।’
সাকিব আইসিসির সঙ্গে কথোপকথনের সময়ে নিজের এই আশার পক্ষে যুক্তিও দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাদের মাঠে গিয়ে সিরিজ হারিয়ে এসেছি। সেটা খুব বেশি আগের কথা নয়। এটা আমাদের টি-টোয়েন্টি অভিযানে বিশ্বাস জোগাবে।’
একটা বাছাইপর্ব খেলতে হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক লাসিথ মালিঙ্গাও। তিনি বলেছেন, ‘সরাসরি সুপার ১২ খেলতে না পারা একটু হতাশার। তবে আমি মনে করি, আমরা টুর্নামেন্টে ভালো করব। তিন বার ফাইনাল খেলা এবং একবার টুর্নামেন্ট জেতার কারণে সবাই আশা করেছিল, আমরা সেরা আটে থাকব। সেটা হয়নি। আমরা গ্রুপপর্বের এই ম্যাচগুলোকে বাড়তি কিছু ম্যাচ খেলার সুযোগ হিসেবে নিয়েছি। আমাদের দলে কিছু ভালো খেলোয়াড় আছে। ফলে যে সময় আমাদের খেলতে হবে, ওই সময় সেরা খেলাটা খেলাই আসল ব্যাপার।’