যশোর অফিস
যশোরের চৌগাছার হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. নাহিদ সিরাজ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার রাতে তাকে যশোর বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নেওয়া হয়। এই ডাক্তার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে গত ৪ মে রিপোর্ট পাওয়া যায়। এর ঠিক এক মাসের মাথায় ৪ জুন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ল্যাব থেকে প্রাপ্ত রিপোর্টে তাকে ‘করোনা ভাইরাসমুক্ত’ বলে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তার পরদিনই শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে ডা. নাহিদকে গুরুতর অবস্থায় হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা নেওয়া হলো। বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে তাকে রাতে ঢাকা নেওয়া হয়। তাকে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন বলেন, চৌগাছা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আর এম ও) গত মাসের ৪ তারিখে করোনায় আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছিলেন। ৪ জুন তাকে করোনামুক্ত ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এরপর থেকেই তার শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল।
শুক্রবার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হলো হেলিকপ্টারে। তাহলে কি করোনামুক্ত ঘোষিত ডাক্তারের শরীরে কোভিড-১৯ জীবাণু রয়ে গেছে? এমন প্রশ্নে সিভিল সার্জন বলেন, ‘সেটা পরীক্ষা না করে এখনই বলা যাবে না।’ এর আগে চৌগাছার এক প্রসূতিকে ‘করোনামুক্ত’ ঘোষণা করে তার হাতে সনদ ও ফুল তুলে দিয়েছিলেন যশোরের সিভিল সার্জন। কিন্তু কয়দিন পর জান্নাতি নামের সেই প্রসূতির নমুনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। গত ৯ মে করোনা ভাইরাস বহন করা অবস্থায় তিনি সন্তান জন্ম দেন যশোরের বেসরকারি জেনেসিস হাসপাতালে।