বেলকুচিতে শালিস বৈঠককে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত কামাল আহমেদকে এনায়েতপুরের বেতিল ড্যাফোডিল ক্লিনিক ও অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন দুই পক্ষের ১০টি মোটর সাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। গতকাল শনিবার বেলকুচির ভাঙ্গাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জোকনালা গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী শিক্ষিকা উম্মে জহুরার একটি পরিত্যক্ত পুকুর পরিষ্কার করা নিয়ে প্রতিবেশী রফিকুল ইসলামের সঙ্গে দ্বন্দ্ব হয়। এ ঘটনায় গতকাল শালিস বৈঠক ডাকা হয় জোকনালা বাজারে। এতে রফিকুল ইসলামের পক্ষে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল হক রেজার নেতৃত্বে শ-খানেক লোকজন হাজির হয়। শালিস কাজ বিলম্বিত হওয়ায় তারা প্রায় অর্ধশত মোটরসাইকেল নিয়ে ফিরে সগুনা চৌরাস্তা মোড়ে পৌঁছলে তখন বিপরীত দিক থেকে উম্মে জহুরার আত্মীয় দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আশিকুর রহমান লাজুক বিশ্বাসের নেতৃত্বে শতাধিক লোক মোটরসাইকেল নিয়ে মুখোমুখি হয়। তখন উভয়পক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে কামাল আহমেদ গুলিবিদ্ধ হয়।
খবর পেয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাস ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বেলকুচি থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখনো আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।