নিরুত্সাহিত করছে বিসিবি
স্পোর্টস রিপোর্টার
আবেদনটা প্রথমে করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। তিনি এককভাবে অনুশীলনের সুবিধা চেয়েছিলেন। পরে আরো দুই এক জন ক্রিকেটার এই অনুমতি চান। তবে কয়েকজন ক্রিকেটার আবার এভাবে ঝুঁকি নিয়ে অনুশীলন করার বিপক্ষেও আছেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সিদ্ধান্ত নিয়েছে খেলোয়াড়দের আলাদা ও এককভাবে অনুশীলনের সুবিধা দেবে। আগামী ১৫ তারিখের ভেতর সে সুবিধার আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা হয়ে যাবে। তবে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেছেন, তারা এই অনুশীলনে বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্সাহ দিচ্ছেন না।
করোনার পর ক্রিকেট মাঠে ফেরানোর প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে বিসিবি। যেমনটা ইতিমধ্যে ক্রিকেটীয় কার্যক্রম পুনরায় শুরুর রোডম্যাপ তৈরি করে ফেলেছে দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা। এজন্য তৈরি করা হয়েছে তিনটি পৃথক পরিকল্পনা। পরিস্থিতি অনুযায়ী যে কোনো পরিকল্পনা ব্যবহার করা হবে।
আইসিসির গাইডলাইন অনুসরণ করে তিনটি আলাদা পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছে বিসিবির মেডিক্যাল বিভাগ। গতকাল বিসিবির প্রধান চিকিত্সক দেবাশীষ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, সলো (একাকী) ট্রেনিং, গ্রুপ ট্রেনিং ও বোলারদেরকে নিয়ে আরেকটি ট্রেনিংয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এই একাকী ট্রেনিংটা ১৫ তারিখের পর যে কোনো দিন শুরু হবে বলে বলেছেন প্রধান নির্বাহী। তিনি বলছিলেন, ‘আমাদের কাছে কয়েকজন খেলোয়াড় আবেদন করেছেন অনুশীলন সুবিধা ব্যবহারের জন্য। সকলের তো ব্যক্তিগত জিম নেই, অন্যান্য সুবিধা নেই। তাই আমরা এই আবেদনটা গ্রহণ করেছি। সেজন্য আমাদের সবগুলো অবকাঠামো চালু করতে হবে। আশা করছি ১৫ তারিখের মধ্যে এটা চালু হয়ে যাবে। একটা সূচি অনুযায়ী খেলোয়াড়রা এসে অনুশীলন করতে পারবেন।’
তবে সুজন বলছিলেন, এই অবস্থায় তারা এভাবে মাঠে আসাটাকে নিরুত্সাহিতই করছেন। তারা চাচ্ছেন না, কেউ স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিক। তিনি বলছিলেন, ‘এখনো দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি ভালো না। আমরা মনে করি, খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাসাতেই থাকা উচিত। সেই সঙ্গে আমাদের ট্রেনাররা যেসব নির্দেশনা দিচ্ছেন, সেই অনুযায়ী তারা বাসায় বসে যতোদূর সম্ভব অনুশীলন করতে পারেন। এই সময়টাতে আমরা কাউকে বাসা থেকে বের হতে উত্সাহ দেই না। তারপরও কেউ যদি নিতান্তই আসতে চান, তার জন্য ব্যবস্থা থাকবে।’