‘আট’-এর আরো কাছে বায়ার্ন

স্পোর্টস ডেস্ক

বুন্ডেসলিগার শীর্ষ চারের লড়াইয়ে থাকা বেয়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে বায়ার্ন মিউনিখ শুরুতে পিছিয়েই পড়েছিল। সেখান থেকে ফিরে ৪-২ গোলের দারুণ জয় তুলে নিয়ে গত শনিবার রাতে টানা অষ্টম শিরোপার আরো কাছে চলে এসেছে।

প্রতিপক্ষের মাঠে নবম মিনিটে পিছিয়ে পড়ে বায়ার্ন। গোলটি আসে লেভারকুসেনের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লুকাস আলারিওর পা থেকে। ব্যাভারিয়ানদের পক্ষ থেকে জবাব আসে ২৭ মিনিটে। থমাস মুলারের বাড়ানো বলে দলকে সমতায় ফেরান কিংসলে কোম্যান।

বায়ার্ন ম্যাচটার নিয়ন্ত্রণ হাতে নেয় বিরতির ঠিক আগেই। লিওন গোরেত্স্কা জোড়ালো শটে দলকে এগিয়ে দেন ৪২ মিনিটে। এরপর যোগ করা সময়ে লক্ষ্যভেদ করেন সের্জ গেনাব্রি।

৬৫ মিনিটে মুলারের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে লেভান্ডোভস্কি ম্যাচটা স্বাগতিকদের ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যান। চলতি মৌসুমে ৪৪তম গোলটি করে ব্যক্তিগত সেরার রেকর্ডটিও ভাঙেন তিনি। এর আগে ২০১৬-১৭ মৌসুমে পোলিশ এই স্ট্রাইকার ৪৩ গোল করেছিলেন।

ম্যাচের শেষদিকে লেভারকুসেনের হয়ে ব্যবধান কমান উইর্টজ। ১৭ বছর ৩৪ দিন বয়সে গোল করে বুন্ডেসলিগা ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও বনে যান তিনি। তবে তাতে দলের খুব একটা লাভ হয়নি। এই হারের ফলে শীর্ষ চারে থাকা নিয়েই সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে বেশ।

তবে এই জয়ের ফলে শিরোপার আরো কাছে চলে এসেছে বায়ার্ন। টানা সাতবারের চ্যাম্পিয়নরা চলতি মৌসুমে ২২ জয় আর চার ড্র তুলে নিয়ে অষ্টম শিরোপা থেকে দুই জয়ের দূরত্বে চলে এসেছে।

তবে শিরোপার এতো কাছে এসেও কোচ হ্যান্সি ফ্লিক গুরুত্ব দিলেন ম্যাচ জয়েই। বললেন, ‘ফুটবল ম্যাচ জয়ের খেলা। চলতি বছরে আমরা এটা ভালোভাবে দেখিয়েছি। শুরুতে আমাদের সমস্যা হয়েছিল, যার ফলেই প্রথম গোলটা হজম করি। কিন্তু এর পরে আমরা ফিরে এসেছি এবং আমাদের মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়েছি।’

অধিনায়ক ম্যানুয়েল নয়্যারও এই জয়ে মানসিকতার অবদান দেখছেন বেশ, ‘আমাদের মানসিকতাই আজ পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। আমরা ৯ মিনিটেই গোল হজম করেছিলাম। কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলছিলাম। কিন্তু ভলফসবুর্গ এখান থেকে জিতে ফিরেছিল, তাই আমরাও জয় নিয়ে বেরোতেই পারতাম। আমরা সেটা দেখিয়েছি, আমরা শ্রেয়তর দল ছিলাম। ম্যাচের দখল নিতে কিছুটা সময় নিয়েছিলাম। তবে এরপর নির্দয়ভাবে আঘাত করেছি আমরা।’

দিনের অন্য ম্যাচে বরুসিয়াও জয় পেয়েছে। এমরে ক্যানের একমাত্র গোলে হের্থা বার্লিনকে হারিয়ে দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে তারা।