করোনার মধ্যে বাফুফের নির্বাচন চান না বাদল রায়

স্পোর্টস রিপোর্টার

এখনই কেন নির্বাচন হবে? করোনার মধ্যে বাফুফের নির্বাচন হোক সেটা চান না বাফুফের সহসভাপতি বাদল রায়। গতকাল তিনি বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি ফ্রেশ হোক। তারপর নির্বাচন।’ বাফুফে আগেই জানিয়েছে, পরিস্থিতি ভালো হলে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে। এখন চলছিল কাউন্সিলরদের নাম জমা দেওয়ার সময়। দুই দিন আগেই নাম দেওয়ার তারিখ শেষ হয়েছে। কিন্তু নাম জমা দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি তুলেছেন বাদল রায়। অভিযোগের তীর সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের বিরুদ্ধে। তিনি পছন্দ অপছন্দ প্রয়োগ করার চেষ্টা করছেন। অপছন্দের কাউন্সিলর হলে তাকে বাদ দিয়ে নতুন চায় সোহাগ। তার সহকর্মীরা অর্থের প্রলোভনও দিচ্ছে বলে বাদল রায়ের অভিযোগ।  ফেডারেশন বলছে এইসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতেই এসব অভিযোগ। এ প্রসঙ্গে গতকাল বাফুফে জানিয়েছে, বাফুফে সচিবালয়ের কর্মকর্তারা দাপ্তরিক প্রয়োজনে ফুটবলের কাজে কথা বলেন। এখানে অনিয়মতান্ত্রিক কিছুই করা হয়নি এবং সুযোগও নেই। বাফুফের কংগ্রেস এবং নির্বাচনী বিষয়ে ত্রুটি-বিচ্যুতি পর্যালোচনা ও মীমাংসাকল্পে যাচাই-বাছাই উপ-কমিটির কাছে অভিযোগ পাঠানো হয়েছে। সেই কমিটির প্রধান বাফুফের সিনিয়র সহসভাপতি সালাম মুর্শেদী। এখানেই বাদল রায়ের আপত্তি। ‘উনি নির্বাচন করবেন। উনি কেন ইনকোয়ারিতে থাকবেন।’ টাঙ্গাইল ফুটবল একাডেমি, দিলকুশা, নবাবপুর স্পোর্টিং ক্লাবের ডেলিগেটদের নাম জমা নেওয়ার প্রক্রিয়ায় অভিযোগ তুলে গতকাল দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকা বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।