ফেরার অপেক্ষায় আছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। আসছে জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। আর সেই উপলক্ষ্যে গতকাল ইংল্যান্ডে পৌঁছেছে ক্যারিবিয়ান দল।
ক্রিকেট বিশ্বে অনেক প্রথমের জন্ম দেওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ গড়ল নতুন এক ইতিহাস। করোনা ভাইরাসের কারণে ক্রিকেট স্থবির হওয়ার পর ফের গতিশীলতা আসছে ক্যারিবিয়ানদের সাহসী সিদ্ধান্তের ফলেই। ইংল্যান্ডের মাটিতে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে তারা।
অতীতের কোনো সফরের সঙ্গে এই সফরকে তুলনার সুযোগ নেই। কারণ এবার ভাইরাসের সঙ্গে রীতিমত যুদ্ধ করে আকাশ পাড়ি দিতে হয়েছে ক্রিকেটারদের।
অ্যান্টিগা থেকে উড়াল দেওয়ার আগে প্রত্যেক ক্রিকেটার ও দলের কোচ-কর্মকর্তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। এমনকি করা হয়েছে করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষাও। তাতে কোনো ক্রিকেটারের শরীরেই এই ভয়াবহ ছোঁয়াচে ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিভিন্ন দেশ থেকে দুটি বিমানে খেলোয়াড়রা অ্যান্টিগায় জড়ো হন। এরপর অ্যান্টিগা থেকে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন চার্টার্ড বিমান বা ভাড়া করা বিমানে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে পুরো বহর ম্যানচেস্টারে পৌঁছেছে। ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের শেষ দুটি টেস্ট। আর প্রথম টেস্ট শুরু হবে সাউদাম্পটনে। সিরিজের তিন টেস্ট ২১ দিনের মধ্যে শেষ করা হবে। সিরিজ শুরু হবে আগামী আট জুলাই। টেস্টের জন্য এমন ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে, যার সঙ্গে হোটেল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আছে। খেলোয়াড়দের যাতে বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন না পড়ে। টেস্ট স্কোয়াডে রিজার্ভ খেলোয়াড় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চোট বা অসুস্থতায় যাতে সেখান থেকেই বিকল্প ব্যবস্থা করা যায়। কারো শরীরে করোনা ভাইরাসে উপস্থিতি না থাকলেও নিয়ম অনুযায়ী ওল্ড ট্রাফোর্ডে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন পালন করতে হবে জেসন হোল্ডারের নেতৃত্বাধীন দলকে। কোয়ারেন্টাইন শেষ করেও সিরিজ মাঠে গড়ানোর লম্বা সময় হাতে পাবেন ক্রিকেটাররা। সিরিজ শুরুর আগে আবারো করোনা পরীক্ষা করা হবে। টেস্ট সিরিজ চলাকালে খেলোয়াড়রা এমনভাবে থাকার সুবিধা পাবেন যাতে তাদের বাইরে যেতে না হয়।