বাঁশের সাঁকো আর কতদিন?

কুড়িগ্রামের রৌমারী শাপলা চত্বর (ভোলা মোড়) থেকে খাঁটিয়ামারী জিঞ্জিরাম নদী পর্যন্ত দুই কিলোমিটার পাকা সড়ক। রৌমারী সদরের পূর্বে খাঁটিয়ামারী, রতনপুর, চর বামনেরচর, মোল্লার চর, বেহুলার চর, সুতির পাড়, মাঝিপাড়া (সবুজপাড়া) গ্রামবাসীর যাতায়াত ও উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার একমাত্র সড়ক এটি। ২০০৫ সালে সড়কের মাঝিপাড়া (সবুজপাড়া) গ্রামের পূর্ব পাশে আলমের বাড়িসংলগ্ন খালের ওপর এলজিইডির অর্থায়নে একটি স্লুইসগেট ও খালের বাকি অংশ মাটি ভরাট করে সড়ক তৈরি করা হয়। পরের বছরই বন্যায় স্লুইসগেটটি অক্ষত থাকলেও সড়কের মাটি ভরাট অংশটুকু ভেঙে যায়। এর কয়েক বছর পর অন্তত দুইবার মাটি ভরাট করে পুনঃমেরামত করা হলে সর্বশেষ ২০১৪ সালের বন্যায় সড়কের ঐ অংশটুকু ভেঙে যায়। পরে একটি বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও সড়কটি পুনঃসংস্কার বা সেতু নির্মাণে আর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর ধরে ৭ গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। এজন্য জনপ্রতি ২ থেকে ৫ টাকা এবং ভ্যানপ্রতি ১০/২০ টাকা করে টোল গুনতে হচ্ছে প্রতিদিন। এতে নানা সমস্যাসহ মাঝেমধ্যে ছোটোখাটো র্দুঘটনাও ঘটছে। মালবাহী ট্রাক, ট্রলি বিকল্প তুরা রোড ব্যবহার করায় পরিবহন খরচও দ্বিগুণ বেড়ে যাচ্ছে। এদিকে সংস্কারের অভাবে পুরো সড়কে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক ভেঙে সরু হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আসন্ন বন্যার আগেই পুরো সড়কটি সংস্কারসহ ভাঙনকবলিত স্থানটি মাটি দিয়ে ভরাট না করে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

নূর মোহাম্মদ দীন

চর বামনেরচর, রৌমারী, কুড়িগ্রাম