বিভিন্ন সময় আমরা শক্তি নিয়ে অহংকার করি। শক্তির প্রতিযোগিতা দেখাতে গিয়ে নিজের অস্তিত্বকে কখনো কখনো বিসর্জন দিয়ে থাকি। এই শক্তিকে আমরা বিভিন্নভাবে প্রয়োগ করতে পারি। আমরা চলাফেরার জন্য যে শক্তি পাই সেই শক্তিকে শুভ আর অশুভ অভিহিত করতে পারি। এই শুভ আর অশুভ শক্তির সংঘাত অনেক আগে থেকেই চলে আসছে। শুভ শক্তির মানুষগুলো বারবার পরাজিত হয়েছে। বঞ্চিত হয়েছে তাদের অধিকার থেকে। বারবার শোষিত হয়েছে। জায়গা-জমি হারিয়ে অনেকে পথের ভিখারি হয়েছে। অশুভ চিন্তাচেতনার মানুষগুলো সুযোগ পেলেও তারা যে বেশ সুখে থাকে এইরকম চিন্তা করা আমাদের উচিত হবে না। একটা সময় আসে যখন প্রকৃতি তাদের বিচার করে। পৌরণিক কাহিনিগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে পরাজিত শুভ শক্তির মানুষগুলোর পক্ষে ইতিহাস রচিত হয়েছে। ধরুন মহান স্রষ্টা কাউকে বিশেষ কোনো ক্ষমতা দিয়েছেন। আর তিনি যদি কোনো অশুভ মানসিকতা নিয়ে কাউকে অধিকার বঞ্চিত করেন, তাহলে এর ভবিষ্যত্ কখনো শুভ হয় না। শুভ ও সুন্দর মানসিকতার চর্চার মাধ্যমে একটা সময় অশুভ শক্তি পরাজিত হবে। আজকে করোনার থাবায় আমরা সবাই জর্জরিত। মানুষ অনেক অসহায় হয়ে পড়েছে। এই অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে অশুভ চিন্তাচেতনার মানুষ সাধারণ মানুষকে জিম্মি করতে চাচ্ছে। তারা ২০০ টাকা দামের স্যাভলন ৫০০ টাকায় বিক্রি করছে। জীবাণুনাশক ওষুধগুলো মার্কেট থেকে উধাও করে ফেলছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করছে। অশুভ চিন্তার মানুষগুলোর প্রতি অনুরোধ জানাব—করোনাকালে সুযোগ এসেছে মানুষের জন্য ভালো কিছু করার। অশুভ চিন্তাকে পদদলিত করে শুভ চিন্তাকে জাগ্রত করুন।
রূপম চক্রবর্ত্তী
পূর্বনলুয়া, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম