গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টরা টেকনিশিয়ান নন

বিশ্বের সমস্ত দেশে ডাক্তার-ফার্মাসিস্ট-নার্সের সমন্বয়ে স্বাস্থ্যব্যবস্থা গঠিত হলেও বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফার্মাসিস্টের অংশগ্রহণ নেই। এমনকি এই করোনাকালে সব ধরনের স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ হলেও হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টরা তার বাইরে রয়েছে। এ বিষয়ে সম্প্রতি এক লাইভ টকশোতে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টদের টেকনিশিয়ান বলে উল্লে­খ করেন, যা রীতিমতো অপমানজনক। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়-গুলোর টপ সাবজেক্ট ফার্মেসি থেকে চার কিংবা পাঁচ বছরের বি.ফার্ম ডিগ্রি অর্জন করে বিশ্বমানের ফার্মাসিস্টরা বের হচ্ছেন, যার প্রমাণ বাংলাদেশের সফলতম শিল্প খাত ওষুধশিল্প। এছাড়াও ফার্মাসিস্টদের অনেকেই বিদেশের অনেক হাসপাতালে ডাক্তারদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের টেকনিশিয়ান বলা মানে অবজ্ঞা করা; যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। হাসপাতালে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টের অভাবে ডাক্তারদের প্রেসক্রিপশন পুনর্নিরীক্ষণ, ড্রাগ-ড্রাগ ইন্টারেকশ, ওষুধের ডোজ নির্ধারণ, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জানানো কিংবা ওষুধের ভুল প্রয়োগ ধরার মতো কেউ নেই। তাই সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, অতিদ্রুত হাসপাতালে ফার্মাসিস্টদের নিয়োগ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

মো. জাহিদ হাসান

শিক্ষার্থী, ফার্মেসি বিভাগ,

কুমিল্ল­া বিশ্ববিদ্যালয়