১৬২ স্থাপনায় মিলল এডিস মশার লার্ভা, জরিমানা

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের চিরুনি অভিযানে গতকাল মঙ্গলবার ৫৪টি ওয়ার্ডে ১৪ হাজার ২৯৩টি বাড়ি, স্থাপনা ও নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে ১৬২টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটটি মামলায় ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যান্য বাড়ি ও স্থাপনার মালিককে সতর্ক করা হয়।

চিরুনি অভিযানের চতুর্থ দিনে গতকাল অঞ্চল-১-এর উত্তরা এলাকায় মোট ১ হাজার ১২০টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১২টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদের সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়। এ সময় ৩ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়।

এছাড়া ৮৩৩টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজননোপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। মিরপুর অঞ্চল-২-এর অধীনে মোট ৩ হাজার ১৮২টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৯টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদের সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়। এ সময় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় পাঁচটি মামলায় মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ২ হাজার ১৫৩টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজননোপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। মহাখালী, অঞ্চল-৩-এর অধীনে মোট ১ হাজার ৬৮৯টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে ৪৫টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ১ হাজার ১৫০টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজননোপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

এছাড়া অঞ্চল-৩-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মীর নাহিদ আহসান ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত বারিধারা আবাসিক এলাকায় মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় একটি প্রতিষ্ঠানকে একটি মামলায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

একই সঙ্গে নোংরা ও এডিস মশার প্রজননোপযোগী অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ থাকায় আরো ১১টি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে। মিরপুর ১০, অঞ্চল-৪-এর অধীনে মোট ১ হাজার ৮৯৯টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৯টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদের সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ৮৫১টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজননোপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। কাওরান বাজার, অঞ্চল-৫-এর অধীনে মোট ১ হাজার ৭৪৯টি বাড়ি-স্থাপনা পরিদর্শন করে ৯টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদের সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ১ হাজার ৪০১টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার প্রজননোপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। হরিরামপুর, অঞ্চল-৬-এর অধীনে মোট ১ হাজার ৪৮৮টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৯টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদের সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়।