আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, এই করোনা সংকটকালে সরকারকে প্রতিশ্রুতি দিয়েও যারা গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে, তারা গণদুশমন হিসেবে চিহ্নিত হবে। গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী ডাম্পিংসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে যারা ভাড়া আদায় করছেন তাদের অভিনন্দন জানাই। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করছেন সারাদেশে নাকি তাদের নেতাকর্মীদের ঢালাওভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে! আমি তার কাছে জানতে চাই—কাদের গ্রেফতার করা হয়েছে? তাদের তালিকা দিন। কাদের নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে? সুনির্দিষ্ট তথ্য দিন। রাজনৈতিক অশুভ উদ্দেশ্যে সত্যকে আড়াল করে অন্ধকারে ঢিল ছুড়বেন না। মানুষের ক্ষুধার হাহাকার আপনারা কোথায় দেখতে পারছেন? আসলে আপনাদের হূদয়ে ক্ষমতার ক্ষুধা। জনমানুষের প্রতি সরকারের দায়িত্বশীলতায় আপনাদের গা জ্বালা করছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার করোনা সংক্রমণরোধে নতুন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। সংক্রমিত এলাকাসমূহকে সংক্রমণের মাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন জোনে ভাগ করা হচ্ছে। আরোপ করা হচ্ছে কড়াকড়ি। আমি সবাইকে ধৈর্যর সঙ্গে সরকারের গাইডলাইন প্রতিপালনের আহ্বান করছি। তিনি আরো বলেন, সরকারের সামনে এখন দুটি চ্যালেঞ্জ। একদিকে করোনা সংক্রমণ রোধ ও আক্রান্তদের চিকিত্সা। অপরদিকে করোনাজনিত অসহায় দরিদ্র মানুষের সুরক্ষা। কিছু সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এই চ্যালেঞ্জ উত্তরণে শেখ হাসিনা সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রচেষ্টায় জনগণের আস্থা রয়েছে। শুধু মিথ্যাচার করছে বিএনপি।
করোনা সংকট মোকাবিলায় আশাবাদ ব্যক্ত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড ও ভিয়েতনাম পারলে আমরা কেন পারব না? সবার সম্মিলিত চেষ্টায় আমরাও পারব এবং সফল হবো ইনশা আল্লাহ। তিনি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।