স্বামী-সন্তানকে বেঁধে গৃহবধূকে গণধর্ষণ!

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় স্বামী-সন্তানকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার রাতে চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় ওই নারী ও তার স্বামীকে ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে চর জব্বার থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিরা পলাতক। এদিকে নোয়াখালী সদরের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী এ ঘটনা জানার পর আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের  জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ভুক্তভোগী ওই নারী (৪০) অভিযোগ করেন, মধ্যরাতে একই এলাকার মোশারেফ, সালাউদ্দিন, সোহেলসহ ৯ জন ঘরে ঢুকে তার স্বামী সন্তানকে পিটিয়ে আহত করে বেঁধে রাখে। এরপর তাকে ঘরের বাইরে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে।

ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, স্থানীয় সালাউদ্দিন নামে একজন তাকে ঘরের দরজা খুলতে বলে। এরপর তারা ঘরে ঢুকে প্রথমেই তাকে পিটিয়ে আহত করে। পরে তাকে ও তার স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ঘরের বাইরে নিয়ে গণধর্ষণের পর ফেলে রেখে চলে যায়। সকালে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সক সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে এক নারী সোমবার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর গণধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ জানান, এ ঘটনায় বাদশা আলম (৪০) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে মধ্য বাগ্যা গ্রামের আহমদ উল্লার ছেলে। তিনি বলেন, আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে পুলিশ।