বাংলা সনের এ মাসটি পরিচিত মধুমাস হিসেবে। আর এই মধুমাসে নীলফামারীর সৈয়দপুরের বাজারে উঠতে শুরু করেছে রসে ভরপুর, সুমিষ্ট ও সুস্বাদু নানা ফল। রসাল শাঁসাল বিভিন্ন জাতের লিচুর ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে বাজারে। তাইতো করোনাকালেও সৈয়দপুরে জমে উঠেছে মৌসুমী ফল লিচুর বাজার।
সামাজিক দূরত্বকে পাত্তা না দিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই এসব মৌসুমী ফলের পাইকারি আর খুচরা বিক্রেতাদের জটলা দেখা যাচ্ছে সৈয়দপুরের শহরের বড়ো রেল ঘুন্টিসহ রাস্তার আশপাশে। বোম্বাই, বেদনা, চাইনা-২,৩, বাটালি, গোলাপিসহ বিভিন্ন নামে এসব লিচুর সর্বত্র মৌ মৌ গন্ধ।
আর এসব মৌসুমী ফল রসাল লিচু প্রতিদিন দিনাজপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে শহরের বাজারগুলোতে আসছে। বিক্রিও হচ্ছে প্রচুর। প্রতিদিনই লাখ টাকার বেচাকেনা হচ্ছে।
শহরের পাঁচমাথা মোড়ের লিচু বিক্রেতা সুজন জানান, দিনাজপুর থেকে তিনি বিভিন্ন জাতের লিচু কিনে এনেছেন। গতবারের চেয়ে এখন পর্যন্ত লিচু স্বাভাবিকই রয়েছে। দুপুরের পর পরই বিক্রি বেশ ভালো হচ্ছে। বোম্বাই লিচু ১২০-১৩০ টাকা, বেদনা লিচু ২২০-২৫০ টাকা, চায়না-২ ও ৩ যথাক্রমে ৩০০-৫৫০ টাকা, গোলাপি জাতের লিচু ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা শ দরে বিক্রি হচ্ছে।
নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, দিনাজপুর ও পার্বতীপুরসহ রংপুর বিভাগ থেকে এলাকার লিচুচাষি বা ব্যবসায়ীরা সঠিক দাম পেতে এবং অল্প সময়ে বিক্রির জন্য ট্রাক, পিকআপ, নছিমন ও রিকশাভ্যান ও ট্রেনে লিচু নিয়ে আসছেন সৈয়দপুরে। আশপাশের চাষিরা লিচু আনছেন ভ্যান, পিকআপে।
শহরের ১ নম্বর রেলঘুমটি, পাঁচমাথা মোড়, শহিদ ডা. জিকরুল হক সড়কের উভয় পাশে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে বসছে ছোটোখাটো খুচরা লিচুর বাজার। লিচুর প্রকারভেদে নির্ধারণ করা হচ্ছে দাম।