করোনার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে এবার লাল, হলুদ ও সবুজ—এই তিন জোনে ভাগ করে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কতটা সফল হবে এই জোনভিত্তিক লকডাউন? এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত প্রকাশিত হলো আজ
রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন—এই তিন জোনে বিভক্ত হচ্ছে বিভিন্ন এলাকা? রেড জোনে কার্যকর হচ্ছে এলাকাভিত্তিক লকডাউন, ইয়েলো জোনে বাড়িভিত্তিক লকডাউন ও গ্রিন জোনে থাকছে বিশেষ সতর্কতা; কিন্তু এতে কতটা প্রতিরোধ হবে করোনা সংক্রমণ? শহর হতে গ্রামে যেভাবে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুহার বেড়ে চলছে এর শেষ কোথায়? সে তুলনায় আমাদের স্বাস্থ্যসেবা কতটা কার্যকর? এই প্রশ্নগুলো বারবার আলোচনায় আসছে।
অমিত বণিক
উত্তরা, ঢাকা।
সীমিত নমুনা পরীক্ষার পরেও সংক্রমণের যে হার তাতে সামনের দিনগুলো আমাদের জন্য নিশ্চিতভাবেই ভয়াবহ। আর ক্রমশ নাজুক হওয়া করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নানা শর্ত ও নিয়মনীতির সমন্বয়ে জোনভিত্তিক লকডাউন আমাদের জন্য নতুন একটা বিষয়। তাই শুধু সরকারি নির্দেশনা দিয়ে এটার বাস্তবায়ন এবং প্রত্যাশিত লক্ষ্য অর্জন খুব একটা সহজ হবে না। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের প্রচারণার পাশাপাশি নতুন ধারার এই লকডাউনে করণীয় সম্পর্কে জনসাধারণকে যথাযথভাবে অবহিত করতে হবে। বিশেষত, লকডাউনকালে নিত্যপণ্যের বাজার ব্যবস্থাপনায় কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। অন্যদিকে, লকডাউন লম্বা হলে দরিদ্র লোকগুলোর আর্থিক দৈন্যের দরুন খাদ্যসংকট আবার প্রকট হতে পারে। সেদিকেও সরকারকে লক্ষ রাখতে হবে।
আবু ফারুক
সহকারী শিক্ষক, ভাগ্যকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
সদর, বান্দরবান।
এলাকাভিত্তিক লকডাউন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিবেচনায় রাখতেই হবে। এলাকা লকডাউন মানে অন্যান্য এলাকা থেকে ঐ এলাকার বিচ্ছিন্নতা; তেমনি ঐ এলাকার ভেতরের বাসিন্দাদেরও পরস্পর থেকে শারীরিক দূরত্ব। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে এভাবে পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন ও অবরুদ্ধ করে রাখতে গেলে তাদের খাবারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য সরবরাহের দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। রেড জোনগুলোর লকডাউন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য একটি সুবিবেচিত ও বিশদ দিকনির্দেশনা থাকা উচিত।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
জোনভিত্তিক লকডাউন ঘোষণা করা হয় মিরপুর টোলারবাগে। মিরপুর টোলারবাগ লকডাউনের সময় এমপির তত্ত্বাবধানে একটি স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করে তার নাম দেওয়া হয় মানবতার ডাকঘর। প্রতিটি বাড়িতে একটি করে ব্যাগ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যে পরিবারের যা প্রয়োজন তা এই ব্যাগে দেওয়া হয়েছিল। যার যা প্রয়োজন তা নিয়ে যেত। কিন্তু ঢালাওভাবে যখন লকডাউন করা হলো তখন আর মানুষকে আটকিয়ে রাখা সম্ভব হলো না। তখন ছুটির সুযোগ নিয়ে বাড়িতে চলে যায়। এখনো অনেকে গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে আসে নাই। টেলিফোনে জানা যায়, এখনো অনেক অফিস লকডাউনে আছে।
খন্দকার কামরুজ্জামান
উত্তর পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা।
সুশিক্ষা মানুষকে বদলে দেয়। লাল, হলুদ, সবুজ এটি একটি গবেষণার ফল, সচেতন করা এবং সচেতন হওয়ার প্রার্থক্যটুকু আমরা যেন বুঝতে পারি। অনেক সময় দেখা যায় আমরা করোনা সচেতনতায় যতটুকু বুঝি তা মানি না, আইন করা যতটা সহজ, আইন মানানোটা বেশি কঠিন। যে কোনো উদ্যোগ ভালো, যদি তা কার্যকর করা যায়। আশা করি লাল, হলুদ, সবুজের নিয়ম মেনে চলব এবং আশপাশের সবাইকে মেনে চলায় সচেতন করব।
মো. ফিরোজ আহম্মেদ
সেকশন-৬, মিরপুর, ঢাকা।
করোনার ঊর্ধ্বগামী তাণ্ডবে জনসাধারণের অবাধ চলাচল বন্ধে জোনভিত্তিক লকডাউন সময়ের দাবি। তবে এর সফলতা নির্ভর করবে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার সর্বসাধারণের সমন্বিত প্রয়াসে। প্রশাসনের সতর্কতার প্রতি কতিপয় মানুষের উদাসীনতা আগেও দেখেছি। এবারও তার ব্যতিক্রম না হলে নতুন ব্যবস্থার লকডাউনও সাধারণ ছুটিকালীন অঘোষিত লকডাউনের মতোই হবে। সব জেলায় সম্ভব হলে সব উপজলায় নমুনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপন করে সংক্রমণের প্রকৃত চিত্র বুঝতে না পারলে কেবল জোনভিত্তিক লকডাউন করোনা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।
মোহাম্মদ ফয়সাল
পূর্ব মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম।
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহাব্যাধি করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য দোয়া ও সতর্কতার কোনো বিকল্প নেই। দিন যত যাচ্ছে অবস্থা ততই অবনতির দিকে যাচ্ছে। চোখের সামনে ক্রমশ ভয়ানক পরিস্থিতি দেখেও অনেকে সতর্ক হচ্ছে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না। তাই পূর্ণ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য সংকেত হিসেবে লাল, হলুদ ও সবুজ—এই তিন জোনে ভাগ করে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি সুন্দর পদক্ষেপ।
উবাইদুল্লাহ তারানগরী
দুধনই, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ।
জোনভিত্তিক লকডাউনের আগে মানুষকে বাজার করার জন্য যথেষ্ট সময় দিতে হবে। না হলে যে উদ্দেশ্যে লকডাউন করা হচ্ছে তা ব্যর্থ হবে। পাশাপাশি সাপ্তাহিক বাজারের দিনগুলোতে লোকসমাগমের মধ্যে নির্দেশিত সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করাটা হবে বিরাট চ্যালেঞ্জ।
এ এফ এম সালাহউদ্দীন
বান্দরবান সদর, বান্দরবান পাবর্ত্য জেলা।
কাগজে-কলমে জোন করে, ঐ এলাকায় আগাম প্রস্তুতি না নিয়ে, ডিভাইডার দিয়ে জোনের প্রবেশপথ বন্ধ করা হয়েছে। লকডাউনের পূর্বের অভিজ্ঞতায় মনে হচ্ছে না এ নিয়মে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করা যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, করোনা ভাইরাস সীমান্ত মানে না। জোনের বাইরে ও ভেতরের সব পেশা-শ্রেণি মানুষ সচেতন থাকলেই প্রতিরোধ সম্ভব।
আলহাজ জিয়াউল হক সরকার
করমতলা, পূবাইল,গাজীপুর।
জোনভিত্তিক এই বিশেষ নিয়ন্ত্রণে সময়ক্ষেপণ করা ঠিক হবে না। রাজধানীর লকডাউন শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, বিষয়টিকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি।
মোস্তানসিরুন
ধানমন্ডি, ঢাকা।
বাংলাদেশে সাধারণ ছুটি ও বিশেষ ক্ষেত্রে লকডাউন সীমিত করে সবকিছু খুলে রেখে চলছে। আবার নতুন করে করোনার বিরুদ্ধে জোনভিত্তিক লকডাউন দিয়ে শুরু হয়েছে অভিযান। এটি কতটুকু সফলতা বয়ে আনবে তা আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে।
মারুফ
খিলগাঁও, ঢাকা।
লকডাউন যে একটা কার্যকর ব্যবস্থা সেটা বহুভাবে প্রমাণিত। করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে লকউাডন সারা বিশ্বে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে—এ কথা কোনোভাবেই অস্বীকার করা যাবে না। তবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রেড জোনে বিভিন্ন ধরনের সংকট দেখা দেবে—এটাই স্বাভাবিক।
সুলতানা জামান
মানিকনগর , ঢাকা।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন সামনের দিনগুলোতে সংক্রমণ আরো বাড়বে। তাই জোনভিত্তিক লকডাউন বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বটে।
পারভীন সুলতানা
ঝিনাইদহ।
জোনভিত্তিক লকডাউন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সমন্বয়হীনতা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে—এমনটাই আমাদের কাম্য।
রিফাত
শান্ত মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরা, ঢাকা
করোনায় বিপর্যস্ত জীবন-জীবিকা বাঁচানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আবার করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে লাল, হলুদ ও সবুজ—এই তিন জোন ভাগ করে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয় দুটি কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না।
অ্যাড. এস কে মো. রমিজউদ্দিন
কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা
এই লকডাউন কীভাবে বাস্তবায়ন হবে তারও সুষ্ঠু পরিকল্পনা দরকার।
এ কে এম শাহনাজ
সভাপতি, বিজ্ঞান বিভাগ, নরসিংদী।
চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রে লকডাউনের কারণে অন্তত ৫৩ কোটি মানুষের সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সরকারকে কঠোর হয়ে জনভিত্তিক লাল, হলুদ, সবুজ—এই তিন জোনে লকডাউন কার্যকর করতে হবে।
ডা. মোহাম্মদ জামিল রহমান
গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় গণমানুষের জীবন রাক্ষা পাবে। কিন্তু আমরা দেখছি, গ্রামগঞ্জে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছে না কেউ। এজন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী।
সরকারি ও বেসরকারি প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে অধিক পরিমাণে আইসোলেশন ইউনিট ও অক্সিজেনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে হবে, যেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে রোগীদেরকে অতি দ্রুত সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করে সেবা দেওয়া যায়।
আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু)
হাউজিং এস্টেট, রাজশাহী।
লাল, হলুদ ও সবুজ—এই তিন জোনে ভাগ করে লকডাউন দেওয়ার তাত্পর্য ব্যাখ্যা করা দরকার। কেউ কেউ মনে করেন সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়ের সময় যেমন বিভিন্ন নম্বরের বিপত্সংকেত দেওয়া হয়, এর মাধ্যমে হয়তো জনগণকে সেই ধরনের সতর্কতা সংকেত দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এর মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি সুশৃঙ্খলভাবে মেনে চলা।
মাখরাজ খান
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ।
লাল, হলুদ ও সবুজ—এই জোনে ভাগ করে লকডাউনের সিদ্ধান্তটি খুবই গুরুত্ব বহন করে। কেননা লাল ও হলুদ জোনের করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি সবুজ জোনে প্রবেশ করতে পারবে না। অনেক দেশে এ পদ্ধতি গ্রহণ করার ফলে অনেকটা সফলতা এসেছে। আমাদের দেশেও এর সফলতা কামনা করছি।
মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ
সর্দারপাড়া, মুন্সীগঞ্জ।
দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণার মধ্য দিয়েই কার্যত লকডাউন শুরু হয়; কিন্তু তা যথেষ্ট কঠোরতার সঙ্গে বলবত্ হয়নি। করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষার সংখ্যা আরো অনেক বাড়ানো জরুরি। কারণ শনাক্তকরণ পরীক্ষা বাড়ানোর মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া যাবে কোন এলাকায় করোনা সংক্রমণের ব্যাপকতা বেশি।
মোহাম্মদ শহীদউল্যা
সিপাহীবাগ, ঢাকা।
করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় শুরু থেকেই আমাদের নানা সমস্যা, সমন্বয়হীনতা ও গাফিলতি দেখা গেছে। সরকারের নির্দেশনা না মানার নজিরও জনগণ দেখিয়েছে। সরকার পুরো দেশ লকডাইন করেও তা দৃশ্যত কোনো কাজে লাগাতে পারেনি। পোশাক কারখানা চালু করা, খুলে দেওয়া নিয়ে যে নয়ছয় হয়েছে, তা সমন্বয়হীনতার উদাহরণ, লকডাউন উপেক্ষা করারও উদাহরণ ছিল। যার ফলে আজ দেশের এই অবস্থা। আমি মনে করি, জোনভিত্তিক লকডাউন না দিয়ে পুরো দেশ অন্তত ১৫ দিনের জন্য লকডাউন করে দেওয়া উচিত এবং সবার ঘরে থাকা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা উচিত।
মোহাম্মদ অংকন
তরুণ লেখক, উত্তরা, ঢাকা।
এটি একটি সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত। এতে করে একদিকে যেমন দেশের অর্থনীতির চাকা আংশিক ঘুরবে, তেমনি করে সামাজিকভাবে থমকে পড়া মানুষের স্থবিরতা কিছুটা হলেও ঘুচবে।
ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী (মজির)
মদনপাল লেন, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা।
সব বিবেচনায় করোনার বিস্তার রোধে লকডাউন সর্বোত্তম পন্থা। যার প্রয়োগে বিশ্বের একাধিক দেশ সুফল ভোগ করছে। পক্ষান্তরে জীবন-জীবিকার প্রয়োজনীয়তা ও অর্থনৈতিক দুরবস্থা কাটিয়ে ওঠাও প্রধান এজেন্ডা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা
মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর।
সরকার করোনা মোকাবিলায় জোনভিত্তিক লকডাউন শুরু করেছে। গত মঙ্গলবার ঢাকার একটি এলাকায় এটি চালু হয়েছে। এর আগেও লকডাউন করা হয়েছে। সেখান থেকে ভুল শুধরে নিয়ে এবারে কঠোর লকডাউন পরিচালনা করতে হবে। এলাকার সব লোকদের দেখভাল করতে হবে—কার কী সমস্যা হচ্ছে এই লকডাউনে। এছাড়াও পুরো দেশ আরো একবার সাধারণ ছুটির আওতায় আনা হোক। সাত দিনের জন্য হলেও কারফিউ দিন।
ফাহাদ ফারদীন
পুলিশ লাইন, যশোর।
এর ফলে সরকার এমনভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে করোনার বিস্তার রোধ হবে এবং একই সঙ্গে সচল থাকবে জীবিকার পথগুলো।
মো. জিল্লুর রহমান
গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
গাছের মূল শিকড় কেটে যদি সৌদী আরব থেকে জমজমের পানি এনে গাছের গোড়ায় ঢালা হয় তাতেও কাজে আসবে না। তাছাড়া লাল, হলুদ ও সবুজ লকডাউনটাকে সঠিকভাবে মেনটেন কি করতে পারছে সরকার?
সাইফুল ইসলাম তানভীর
বারিধারা, গুলশান, ঢাকা।