পাঁচ বছর পর এই করোনাকালে এসে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য স্বস্তির খবর শোনালেন অর্থমন্ত্রী। করমুক্ত আয়ের সীমা বিদ্যমান আড়াই লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছেন তিনি। অর্থাত্ বছরে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের ওপর কর দিতে হবে না। এছাড়া নারী ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সি করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৩ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়া করের হারেও কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম আয়ের করদাতাদের স্বস্তি দিতে ৩ লাখ টাকার পরবর্তী ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে ১০ শতাংশের পরিবর্তে করহার পাঁচ শতাংশ করা হয়েছে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ করহার ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত নতুন করহার অনুযায়ী ৪ লাখ টাকার পরবর্তী ৩ লাখ টাকার ওপর ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকার ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকা আয়ে ২০ এবং অবশিষ্ট আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। অর্থাত্ কারো বার্ষিক আয় ১৬ লাখ টাকার বেশি হলেই তাকে ২৫ শতাংশ হারে কর প্রদান করতে হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এ বছর বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে করদাতাগণ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এবং মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে করমুক্ত আয়ের সীমা কিছুটা বৃদ্ধি এবং করহার কমানোর প্রস্তাব করছি। প্রসঙ্গত, ব্যবসায়ী এবং অর্থনীতিবিদরাও এবারের বিশেষ পরিস্থিতিতে করছাড় দেওয়ার কথা বলে আসছিলেন।