এ বছরও প্রস্তাবিত বাজেটে কার্যকর তামাক কর ও মূল্যবৃদ্ধির পদক্ষেপ চরমভাবে উপেক্ষিত হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকপণ্যের ব্যবহার নিরুত্সাহিত করার পরিবর্তে তামাক কোম্পানিকেই লাভবান করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে সরকার অতিরিক্ত প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে। পাশাপাশি ৩ কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক তামাক ব্যবহারকারী ও পরোক্ষ ধূমপানের শিকার ৪ কোটি ১০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ নজিরবিহীন স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়বে। গতকাল শুক্রবার প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বেসরকারি সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এসিডি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলে।
এসিডির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এবারও বাজেট প্রস্তাবনায় সিগারেটের চারটি মূল্যস্তর বহাল রাখা হয়েছে। যা কম দামি সিগারেট বেছে নেওয়ার সুযোগ অব্যাহত থাকছে। সিগারেটের বাজারে চারটি মূল্য স্তরের মধ্যে প্রায় ৭২ শতাংশই নিম্ন স্তরের সিগারেটের দখলে। এই স্তরে সম্পূরক শুল্ক ধার্য করা হয়েছে ৫৭ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৫৫ শতাংশ। যা কার্যকর হলে এই স্তরের সিগারেটের প্রকৃত মূল্য হ্রাস পাবে এবং ব্যবহার বাড়বে।’ প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে প্রস্তাবিত বাজেট সংশোধন করে মূল বাজেটে কার্যকর তামাক করনীতি বাস্তবানের জোর দাবি জানিয়েছে এসিডি।