প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর প্রতিক্রিয়ায় স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন অন্বেষণ বলছে, বাজেট গতানুগতিক হয়েছে। চলতি অর্থবছর মাত্র ৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবার প্রাক্কলন করা হয়েছে। ১৯৮০ সালের পর প্রবৃদ্ধির এত বড়ো পতন আর দেখা যায়নি। ১৯৯২ সালের পর এই প্রথম দারিদ্র্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সার্বজনীন প্রাথমিক প্রয়োজন নিশ্চিত করার জন্য পর্যাপ্ত উদ্যোগ প্রতীয়মান হয়নি।
প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে প্রকৃত বরাদ্দ শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ এবং বাজেটের ৫ দশমিক ১ শতাংশ। উন্নয়ন অন্বেষণ মনে করে, স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির অন্তত ৫-৬ শতাংশ বরাদ্দ দিতে হবে। পূর্ববর্তী বছরের মূল্যস্ফীতি সমন্বিত বরাদ্দের তুলনায় এবছর সামাজিক সুরক্ষার জন্য বরাদ্দ ৭৯০ কোটি টাকা বেশি। কিন্তু এটি করোনার কারণে সৃষ্ট বিপুলসংখ্যক নতুন দারিদ্র্য এবং বেকারদের জন্য যথেষ্ট নয়। আর্থিক খাতের দুর্দশা এবং কোভিড থেকে উত্তরণে বাজেটে দিকনির্দেশনার ঘাটতি রয়েছে।
লকডাউনের কারণে আয় কমে যাওয়ায় ৪৩ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবার আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যসীমার চেয়ে কম আয় করবে। বিপুলসংখ্যক প্রবাসী দেশে ফেরত এলে দারিদ্র্য পরিস্থিতি আরো অবনতি হতে পারে।