করোনায় টেক্সটাইল খাতে ক্ষতি ২০ হাজার কোটি টাকা

করোনায় গত তিন মাসে দেশের বস্ত্রখাতে ২০ হাজার টাকার ওপরে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে এ খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, গত বৈশাখের বাজার ও ঈদ বাজার কিংবা যাকাতের কাপড়কেন্দ্রিক বাজার থাকলেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এবার বিক্রি    করতে পারেনি স্থানীয় বস্ত্রখাতের উদ্যোক্তারা। অন্যদিকে পোশাকের   রপ্তানি কমে যাওয়ায়ও বড়ো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বস্ত্রখাতের উদ্যোক্তারা। সবমিলিয়ে এ খাতের ক্ষতির পরিমাণ ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। এ পরিস্থিতিতে  সুতার ওপর সব ধরনের ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে সংগঠনের পক্ষ থেকে।

বাজেটে তুলা থেকে উত্পাদিত সুতার ওপর কেজিপ্রতি ভ্যাট ৪ শতাংশের স্থলে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। কিন্তু পলিয়েস্টারসহ কৃত্রিম আঁশ থেকে তৈরি সুতার ওপর এটি কেজিপ্রতি ছয় টাকা করা হয়েছে। এই ভ্যাট হার কমিয়ে দুই টাকা করার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া রপ্তানির ওপর কর বিদ্যমান ০.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে চলতি বছরের মতোই ০.২৫ শতাংশ করার দাবিও জানানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বাজেট প্রস্তাবকালে রপ্তানির উেস কর দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দেন অর্থমন্ত্রী। একই সঙ্গে কৃত্রিম আঁশ থেকে তৈরি সুতার ভ্যাটহার ছয় টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া করোনার কারণে ক্ষতি পোষাতে নগদ সহায়তা আগামী ছয় মাসের জন্য বিদ্যমান ৪ শতাংশের স্থলে ১০ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছে বিটিএমএ। অবশ্য বাজেটে কিছু খাতের কর কমানোর প্রস্তাবে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।